শিরোনাম: দেশে এই প্রথম রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্ত       সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে যাত্রী আসা বন্ধ       করোনায় মৃত্যু বেড়ে ১৩, আক্রান্ত ১১৭ জন       স্পেনে করোনায় আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু       দুদক পরিচালকের মৃত্যুতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর শোক       সরকারি ছুটি আরো ৪ দিন বাড়ছে!       করোনার মধ্যে প্রাথমিকের নতুন সময়সূচি প্রকাশ       ভারতে করোনায় মৃত্যু ১১৮, আক্রান্ত ৪২৯৮       আপনি কি করোনা আক্রান্ত? যেভাবে জানবেন, যা করবেন       কাশ্মীরে বন্দুক যুদ্ধ, নিহত ১২      
পানির মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব অযৌক্তিক : টিআইবি
কাগজ ডেস্ক :
Published : Tuesday, 18 February, 2020 at 8:24 PM
পানির মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব অযৌক্তিক : টিআইবিপরিচালন ব্যয়, ঘাটতি ও ঋণ পরিশোধের অজুহাতে ঢাকা ওয়াসার ৮০ শতাংশ পর্যন্ত পানির মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাবকে অযৌক্তিক এবং গ্রাহকের ওপর নির্যাতনমূলক মনে করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে টিআইবির পক্ষ থেকে এমন মন্তব্য করে সংশ্লিষ্ট খাতে বিশেষজ্ঞসহ গণ শুনানির মাধ্যমে যৌক্তিক মাত্রায় মূল্য বৃদ্ধির আহ্বানও জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ঢাকা ওয়াসা আবাসিক গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিট পানির দাম ১১.৫৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ টাকা এবং বাণিজ্যিক গ্রাহক পর্যায়ে ৩৭.০৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৫ টাকা (সার্বিকভাবে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি) নির্ধারণের প্রস্তাব করেছে, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য। ওয়াসা আইন ১৯৯৬ অনুযায়ী বাৎসরিক সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির বিধানের সাথে এই প্রস্তাব সাংঘর্ষিক।
তিনি বলেন, প্রস্তাব অনুযায়ী মূল্য বৃদ্ধি করলে তা ইতিমধ্যেই ওয়াসা কর্তৃক ন্যায্য পরিমাণে পানি সরবরাহ বিশেষ করে পানির গুণগত মান নিশ্চিতে ব্যর্থতার কারণে হতাশ নগরবাসীর জন্য অধিকতর নির্যাতন ও বিড়ম্বনার কারণ হবে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর অন্যায্য চাপ আরো বৃদ্ধি করবে। যে পানি ওয়াসার শীর্ষ কর্মকর্তারা নিজেরাই পান করতে নিরাপদ বোধ করেন না, তার মূল্য বৃদ্ধির এই প্রস্তাব সম্পূর্ণরূপে অগ্রাহ্য।
২০১৯ সালে টিআইবির গবেষণার তথ্য উল্লেখ করে ড. জামান বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে, ঢাকা ওয়াসার অধীনে জরিপে অন্তর্ভুক্ত ৪৪.৮ শতাংশ সেবাগ্রহীতা চাহিদা অনুযায়ী পানি পান না, ৫১.৫ শতাংশ সেবাগ্রহীতার কাছে সরবরাহকৃত পানি অপরিষ্কার এবং ৪১.৪ শতাংশের কাছে সরবরাহকৃত পানি দুর্গন্ধযুক্ত। ওয়াসার সেবার মান ও অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে সার্বিকভাবে ৩৭.৫ শতাংশ সেবাগ্রহীতাই অসন্তুষ্ট। তাই সেবাগ্রহীতাদের মতামত না নিয়ে এবং অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি ও সিস্টেম লস নিরসনে সুনির্দিষ্ট ও সময়াবদ্ধ পরিকল্পনা ছাড়াই একতরফাভাবে পানির মূল্য বৃদ্ধির এই প্রস্তাব গ্রাহকের ওপর অন্যায্য বোঝা চাপিয়ে দিবে, যা অগ্রহণযোগ্য।
তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য অর্থ প্রবাহ বাড়ানোর নামে অযৌক্তিকভাবে পানির মূল্য বৃদ্ধির আগে ঢাকা ওয়াসার ক্রয় প্রক্রিয়া, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং গ্রাহক পর্যায়ের মিটার রিডিংসহ নানা ক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করে অভ্যন্তরীণ সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরি। একটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে অবহেলা ও ধীরগতির কারণে অনুমোদিত মেয়াদ অতিক্রম করলেই কোটি কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হয়, যা জনগণের অর্থের অপচয়। আবার গ্রাহক পর্যায়ে বিল আদায়ে অবহেলা ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণসহ ওয়াসার চলমান কর্তৃত্ববাদী ও জবাবদিহিহীন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে পারলে ওয়াসার অর্থের যোগান অনেক বাড়বে।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft