শিরোনাম: সাতক্ষীরায় আরেক করোনা রোগী শনাক্ত       পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে ধুমকেতু ‘সোয়ান’       করোনা সুরক্ষা যন্ত্র বানাল ১২ বছরের কিশোর       সাঁথিয়া উপজেলা শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে দরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ       সাতক্ষীরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে লাইনম্যানের মৃত্যু       স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ উদযাপনের আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের       ঈদের আনন্দঘন মুহূর্ত অম্লান হোক : জি এম কাদের       ফায়ার সার্ভিসে করোনা আক্রান্ত ৭৯ জন, সুস্থ ৯       সাতক্ষীরার আশাশুনিতে মৎস্যঘের দখলকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত-১ আহত-৩       আরাবী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরন      
করোনা আতঙ্কে রোগী শূন্য খুমেক
খুলনা প্রতিনিধি :
Published : Friday, 27 March, 2020 at 1:48 PM
করোনা আতঙ্কে রোগী শূন্য খুমেকপ্রায় রোগীশূন্য হয়ে পড়েছে খুলনার হাসপাতালগুলো। করোনাভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ঠদের ধারণা। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে একজনের মৃত্যুর পর এ হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা বাড়ি চলে গেছেন। অন্যান্য উপজেলাতেও একই অবস্থা।
স্বাভাবিক সময়ে খুমেক হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার ভর্তি রোগী ভর্তি থাকে। সেখানে ২৫ মার্চ ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল ২৮০ জন। ৫০০ শষ্যার এ হাসপাতালে এখন অর্ধেক বেডই খালি। আর ২৬ মার্চের মৃত্যুর ঘটনার পর ২৭ মার্চ পুরো হাসপাতালই রোগী শূন্য হয়ে গেছে।
এদিকে খুলনা জেনারেল হাসপাতালেও রোগী ভর্তি কমে গেছে। খুলনার উপজেলাগুলোতেও সাধারণ রোগের চিকিৎসা সেবা গ্রহণের হার ৩০ ভাগে নেমে এসেছে বলে জানা গেছে।
খুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডাক্তার এ টি এম মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, এখানে করোনার প্রভাবে দিনকে দিন রোগী ভর্তি কমে গেছে। ২৬ মার্চ এক রোগীর মৃত্যুর পর ডাক্তার নার্সসহ ১৬ জনকে কোয়ারেন্টিনে নেয়া হয়। এরপর হাসপাতাল রোগী শূন্য হয়ে যায়। আর এ হাসপাতালটিকে করোনা ওয়ার্ড করার পরিকল্পনা নেয়ার কারণে নতুন করে রোগী ভর্তি নেয়া হচ্ছিল না।
খুমেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সিনিয়র স্টাফ নার্স রমা রানী দাশ বলেন, করোনার প্রভাবে রোগী কমতে কমতে ২৫ মার্চ দুপুরে মাত্র ১০ জন ছিল। ২৬ মার্চ রাতে সবাই নিজ দায়িত্বে চলে যেতে চায়। তখন তাদেরকে ব্যবস্থাপত্র দিয়ে দেয়া হয়।
খুমেক হাসপাতালের ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডে ভর্তি রোগী মোস্তফা কামাল পাশার (৭০) স্ত্রী পারুল বেগম বলেন, সোমবার এখানে তার স্বামীকে ভর্তি করানো হয়েছে। স্ট্রোক করার পর তাকে পিরোজপুর থেকে এখানে আনা হয়েছে। তিনদিনেও তার জ্ঞান ফেরেনি। তবে হাসপাতালে একজনের মৃত্যুর পর আতঙ্ক দেখা দেয়। এ কারণে তারা হাসপাতাল ছেড়েছেন।
খুলনার সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ বলেন, খুলনার জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে রোগী ভর্তির হার ৩০ ভাগে নেমে এসেছে। এখন করোনার প্রভাবের কারণে অন্যান্য রোগী হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসছেন না। খুলনা জেনারেল হাসপাতালের ২৫০টি বেডের ৭০ ভাগি এখন খালি থাকছে। উপজেলা পর্যায়ে এখন সব হাসপাতালেই ৫০ বেডের। কিন্তু সেখানেও সিট খালি থাকছে। তবে, ফোনে পরামর্শ গ্রহণের হার বেড়েছে। জেলা ও উপজেলার জন্য ১০ চিকিৎসক ও টিম এ জন্য সার্বক্ষণিক কাজ করছেন।
তিনি বলেন, খুলনা জেনারেল হাসপাতালটিকে করোনা কোয়ারেন্টিন ইউনিট করার সিদ্ধান্ত নেয়ার কারণে এখানে নতুন রোগী ভর্তি নেয়া হচ্ছে না।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft