শিরোনাম: গণপরিবহনের ভাড়া সমন্বয়ে প্রজ্ঞাপন হচ্ছে : কাদের       ব্যাংকের সব শাখা খুলেছে, স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু       বাস ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ : রিজভী       একদিনে সর্বোচ্চ ২৫৪৫ জন শনাক্তের রেকর্ড       শিল্পপতি আব্দুল মোনেম মারা গেছেন       চলনবিলে অবাধে চলছে মা মাছ শিকার       করোনা: না’গঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ১০৪, মৃত্যু ৩       বেনাপোল রেলপথে প্রথম খাদ্যদ্রব্য জাতীয় পণ্য আমদানি       অতিরিক্ত ঘুমে শরীরের ক্ষতি       হঠাৎ জ্বর এলে করণীয়      
দেশ থেমে গেলেও থেমে নেই ইটবাটার শ্রমিকরা
মোঃ আল-আমিন, ঝালকাঠি :
Published : Sunday, 29 March, 2020 at 4:59 PM
দেশ থেমে গেলেও থেমে নেই ইটবাটার শ্রমিকরাব্যস্ততম বরিশাল-খুলনা মহাসড়কে নেই কোনো যানবাহনের আওয়াজ। থেমে থেমে চলছে দু-একটি রিকশা ও ব্যান। নিরাবর্তায় আচ্ছন্ন পুরো মহাসড়ক। নোবেল করোনাভাইরাসের কারনে ঝালকাঠিসহ সারাদেশের মানুষ। নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়াটা বেশ বিপদজনক। এমন মহামারী বিপদের মধ্যেও ভোর থেকে অনায়াসে মাটি আর পানি দিয়ে ইটভাটায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন শত শত শ্রমিক। নেই কোন তাদের সেফটি। সাধারণত তারা একটিমাত্র মাক্স ব্যবহার করছে না।
ঝালকাঠির সদর উপজেলার  গুরুদম এলাকায় এ.আর.এস ইটভাটায় সরেজমিনে দেখা গেছে, এই মহামারী কে উপেক্ষা করে ভাটার স্তুপ থেকে গুলানো মাটি নিচ্ছেন বেশ কিছু শ্রমিক। সেখান থেকে ট্রলি দিয়ে আবার ইট বানানোর লাইনে মাটি নিচ্ছেন কেউ কেউ। সেখানে ইট বানিয়ে যাচ্ছেন আরও কিছু শ্রমিক। এভাবেই ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে ইটভাটা শ্রমিকদের। এসময় শ্রমিকেরা জানান, প্রতিদিন ভোর ৪টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত এবং দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাজ করতে হয় ইটভাটায়। তবে শুক্রবার দুপুরে কাজ বন্ধ থাকার কারণে রাত ৩ টায় কাজ শুরু হয়ে চলে সকাল ৭টা পর্যন্ত।
করোনা ভাইরাস সম্পর্কে জানতে চাইলে একজন শ্রমিক বলেন, রাত ২টায় ঘুম থেকে উঠেছি। ৩টা থেকে কাজ শুরু হয়ে চলে সকাল ৭টা পর্যন্ত। কাজ না করলে কি খাব কি থেকে আমাদের বাজার হবে ছেলেদের মুখে কি আনা হার তুলে দিতে হবে। একদিন কাজে না আসলে অধীন আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে। অপরদিকে আরেক শ্রমিক জানান শুনেছি দেশে নাকি কি রোগ এসেছে কিন্তু আমাদের তো আর কিছুই করার নেই দুবেলা-দুমুঠো খাবার জোগাতে আমাদের একাজ আমাদের করতেই হবে।দেশ থেমে গেলেও থেমে নেই ইটবাটার শ্রমিকরা
তিনি আরো জানান, সারা বছর এলাকাতে ভ্যান চালাই। কার্তিক মাস থেকে বৈশাখ মাস পর্যন্ত ইটভাটায় কাজ করি। এ.আর.এস ইটভাটার মিল সরদার পীযূষ দেবনাথ জানান, প্রতিটি মিলে ১৮ জন করে শ্রমিক কাজ করেন। ভাটা থেকে গুলানো মাটি নিয়ে ইট বানানো পর্যন্ত তাদের কাজ। এদের অনেককেই কাজের আগে টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। অনেককেই আবার সপ্তাহ শেষে বেতন দেওয়া হয়। প্রতিদিন প্রায় ৪০০ টাকার মতো বেতন আসে ইটভাটায় কর্মরত শ্রমিকদের। তবে যারা ইট বানান তাদের বেতন এর চেয়ে একটু বেশি। দরিদ্রতার কারণে ইটভাটায় কাজ করেন এসব শ্রমিকেরা। সারা বছর রিকশা ভ্যান বা অন্যের বাড়িতে কাজ করে খাওয়া এসব শ্রমিকেরা ইটভাটা থেকে আয়ও করেন বেশ ভালো।  
তার কাছে কোন ভাইরাস সম্বন্ধে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন আমাদেরকে সরকার এখনো পর্যন্ত কোন নোটিশ দেয় নাই আমাদের তো কোন কাজ বন্ধ করতে বলা হয়নি এছাড়া আমরা কাজ বন্ধ করতে পারতেছিনা আমরা কাজ বন্ধ করলে শ্রমিকরা কি খাবেন। তার কাছে কাঠ পোড়ানোর সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমাদের এখানে কাঠ পোড়ানো হয় না পাশে কিছু কাঠ রাখা আছে যেগুলো শ্রমিকদের রান্নাবান্নার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে এছাড়া আমাদের সাথে সাধারন কিছু কাঠ ব্যবহার করা হয়।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft