শিরোনাম: সাতক্ষীরায় আরেক করোনা রোগী শনাক্ত       পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে ধুমকেতু ‘সোয়ান’       করোনা সুরক্ষা যন্ত্র বানাল ১২ বছরের কিশোর       সাঁথিয়া উপজেলা শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে দরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ       সাতক্ষীরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে লাইনম্যানের মৃত্যু       স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ উদযাপনের আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের       ঈদের আনন্দঘন মুহূর্ত অম্লান হোক : জি এম কাদের       ফায়ার সার্ভিসে করোনা আক্রান্ত ৭৯ জন, সুস্থ ৯       সাতক্ষীরার আশাশুনিতে মৎস্যঘের দখলকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত-১ আহত-৩       আরাবী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরন      
একটু তো সাবধান হওয়া দরকার
মাহমুদা রিনি :
Published : Sunday, 29 March, 2020 at 8:27 PM, Update: 30.03.2020 3:59:21 PM
একটু তো সাবধান হওয়া দরকার অভ্যাস বসত লিখি, লিখতে ইচ্ছা করে। কিন্তু চারপাশের পরিস্থিতি দেখে বা শুনে যা লিখতে ইচ্ছা করে তা অনেক সময় আমার জন্য বিপজ্জনক এবং অনেকে ভুলও বুঝতে পারে।
আজ একটা ভিডিওতে দেখলাম এক মুরুব্বি চাচা এক সাংবাদিক ভাই এর সাথে তেড়েমেরে তর্ক করছেন তিনি মাস্ক পরবেন না। এমনকী শেখ হাসিনা আসলেও পরবেন না। উনার সর্দি, রুমালে নাক মুছছেন আর আল্লাহর দোহাই দিচ্ছেন।
দশদিন ঘরে বন্দি থাকার পর আজ পায়ে হেঁটে কাঁচাবাজারে গেছি একদম বাধ্য হয়ে। আমার মা আছেন বাসায়, সাবধান আমাকে হতেই হয়। যাবার সময় মসজিদের সামনে বিকাশ করার জন্য একটা দোকানে দাঁড়িয়েছি। এক মুরুব্বি চাচা ছোট ছোট দুই নাতি সাথে নিয়ে দোকান থেকে এটা সেটা কিনছেন। কারোরই কোন প্রোটেকশন নেই। দোকানদার ভাই যথেষ্ট সাবধান থাকার চেষ্টা করছেন। আমি স্বভাবের দোষেই হয়তো বলেই ফেললাম চাচা একটু তো সাবধান হওয়া দরকার। বাচ্চারা আছে সাথে। অযথা রিস্ক নিয়ে কাজ কি, বিশ্ব ব্যাপি যা অবস্থা!
উনি রাগলেন না। আমাকে একঝুড়ি হাদিস শোনালেন। তার ভিতর বিশেষ একটা "পৃথিবীতে ছোঁয়াচে বলে কোন রোগ নেই এটা নবী করিম (সঃ) বলেছেন। আমরা ইসলাম মানিনা, রোগ কে ভয় পাচ্ছি, রোগের মালিককে ভয় পাই না ইত্যাদি ইত্যাদি.......
আমি এই চাচাদের কোন দোষ দেখি না। উনারা বড় বড় ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ ও জ্ঞানীদের বক্তব্য বা ওয়াজ শুনেছেন। করোনা পরিস্থিতি মাত্র তিনমাসের। এই সময়ের মধ্যেই এই বিশেষজ্ঞগন নানারকম বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য করে সারাদেশে প্রচার করেছে। বাংলাদেশের মানুষ ধর্মভীরু। তারা এদের কথা শোনে এবং মেনে চলে। সেই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে এর এদের ফায়দা হাসিল করে। অথচ ইতিমধ্যে প্রমাণ মিলেছে মসজিদ থেকেও করোনা ছড়ানোর।
দেশে যদি আজ মহামারী হয় এরা বলবে আল্লাহর গজব পড়েছে। আরো ইত্যাদি ইত্যাদি। যদি প্রথম থেকেই এদের মুখ বন্ধ করা যেত মানুষ আল্লাহর দোহাই দিয়ে এত অবহেলা করতে পারতো না। আমি বুঝি না এই ব্যাপারটাকে কেন হালকা ভাবে দেখা হয়! বিশ্বব্যাপি এই পরিস্থিতিতেও প্রকাশ্যে নানা রকম উদ্ভট কথা বলার সাহস এরা কিভাবে পায়। কেন এদের এইসব উদ্ভট কথাবার্তার উপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয় না। আমরা এগুলো নিয়ে ট্রল করি, হেসে উড়িয়ে দিই। কিন্তু ভিতরে ভিতরে ক্ষতি যা হবার তা হয়েই যায়।
অসচেতনতায় আক্রান্তের দীর্ঘসূত্রিতা বাড়বে। আমাদের হয় মরতে হবে নয়তো আরো বেশিদিন বন্দী থাকতে হবে। বিষয়টাকে এত হালকা করে দেখার সুযোগ আছে কিনা আমার মাথায় ঢোকে না।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft