শিরোনাম: মণিরামপুরে কাঁচা রাস্তায় বাঁশের সাঁকো, দুর্ভোগে গ্রামবাসী       দেশে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৩১৬৩ জন       করোনার নমুনা পরীক্ষা আরো বাড়ানোর আহ্বান কাদেরের       ভার্চ্যুয়ালেই চলবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ       মানুষের ভালোবাসায় জাতীয় পার্টি এখনো টিকে আছে : জি এম কাদের       নওগাঁয় বাণিজ্যিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে কচুর লতির চাষ       চাঁদপুরে আরো ৪২ জনের করোনা শনাক্ত       নওগাঁর রাণীনগরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জীবানুনাশক ট্যানেলের উদ্বোধন       চুলের যত্নে ঢেঁড়স! জানুন পদ্ধতি       জয়পুরহাটে মাদ্রাসা ছাত্রের লাশ উদ্ধার      
ফেসবুক লাইভে সুকুমার দাসের সুরের মায়াজালে
বাঁধা পড়েছিলেন দু’বাংলার সঙ্গীত পিপাসুরা
এস এম আরিফ
Published : Wednesday, 3 June, 2020 at 11:14 PM
ফেসবুক লাইভে সুকুমার দাসের সুরের মায়াজালে বাংলা গানের সুরের জাদুতে মেতেছিলেন দু’বাংলার সঙ্গীত পিপাসুরা। ভারতের আসাম প্রদেশের যুবশক্তির আয়োজনে ফেসবুক লাইভে কণ্ঠের সুর লহরীতে মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন যশোরের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক সুকুমার দাস। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে এক ঘণ্টা ১৭ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড যেন চকিতেই পার হয়ে গেলো সুরের ইন্দ্রজালে।
গোটা বিশ্বজুড়ে এখন করোনাভাইরাসের সংক্রমণে দুঃসহ। সবার দিন কাটছে আতংকে। নিজড ফিড জুড়ে শুধু করোনা আক্রান্ত আর মৃত্যুর সংখ্যাতত্তে¡র খবরে ভারী হয়ে উঠছে মানুষের নিঃশ্বাস। করোনার কালো রাত শেষে কখন পৃথিবী ফিরবে সোনালি সুপ্রভাতে সেই অপেক্ষার প্রহর গুনছে সবাই। যখন করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মানার সাথে বিশেষজ্ঞরা জোর তাগিদ দিচ্ছেন মানসিক সুস্থ্যতার দিকে। সেই সময়ে মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশনে বাংলা গানের সুরের মূর্ছনায় দু’বাংলাকে তথ্য প্রযুক্তির অন্তর্জালে যুক্ত করেছিলেন ভারতের আসাম প্রদেশের বদরপুরের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যুবশক্তি। তাদের আয়োজনে করোনায় ঘরবন্দি মানুষদের সুরের মায়াজালের নান্দনিক এক সন্ধ্যায় যশোরের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক সুকুমার দাস মনে করিয়ে দিলেন ‘এ শুধু গানের দিন, এ লগন গান শোনাবার’।
সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় শুরু হয় সঙ্গীতের এই ফেসবুক লাইভ। লাইভে যুক্ত ছিলেন আটশ’ ৬০ জন সুজন শ্রোতা। কবি রেজা মন্ডলের কথা ও নিজের করা সুরে ‘আর নয় প্রতিশোধ আর নয় যুদ্ধ’ গানটি দিয়ে শুরু করেন একক সঙ্গীতায়োজনের মধ্যমণি শিল্পী সুকুমার দাস। তারপর পরিবেশন করেন ভূপেন হাজারিকার জনপ্রিয় ‘সবার হৃদয়ে রবীন্দ্রনাথ, চেতনাতে নজরুল’ এবং ‘দোলা হে দোলা’ গান দু’টি। গেয়ে শোনান জীবনমুখি গানের শিল্পী নচিকেতার ‘যখন সময় থমকে দাঁড়ায়’ গানটি। পরবর্তীতে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন হেমন্ত মুখোপাধ্যয়ের ‘তুমি এলে, অনেক দিনের পরে যেন বৃষ্টি এলো’, মৃণাল চক্রবর্ত্তীর ‘কেন জানিনা যে শুধু তোমার কথা মনে পড়ে’ অনুপ ঘোষালের ‘আধো রাতে যদি ঘুম ভেঙ্গে যায়’ সুবীর নন্দীর ‘তুমি এমনই জাল পেতেছো সংসারে’, উদীচী ট্রাজিডি নিয়ে সঞ্জয় মুখার্জীর লেখা ও তার নিজের করা সুরে ‘ঝরেছে রক্ত ঝরুক রক্ত আমরা হারবো না’, কালজয়ী শিল্পী মান্নাদের ‘জড়োয়ার ঝুমকো থেকে একটা মতি’, রাধা রমন দত্তের ‘বিনোদিনী গো এবং ‘আমারে আসিবার কথা কইয়া’, মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা ও শিল্পীর করা সুরে ‘কে তুমি সামনে ডাকো’, বিজয় সরকারের লেখা ‘যেমন আছে এই পৃথিবী তেমনই ঠিক রবে’ এবং সবশেষে গেয়ে শোনান  মান্নাদের গাওয়া ‘পৌষের কাছাকছি রোদ মাখা সেই দিন ফিরে আর আসবে কি কখনো’ গানটি।
গানে গানে মুখরিত বিমুগ্ধ শ্রোতারাও অভিব্যক্তি ব্যক্ত করেছেন তৎক্ষণাৎ। ওপার বাংলার শ্রোতা সুব্রত ঘোষ লিখেছেন ‘খুব ভাল লাগলো, দোলা হে দোলা গানটি প্রাণে দোলা লাগালো।’ পলপল কুমার বড়ুয়া লিখেছেন, ‘এত চমৎকার আপনার টিউন!’ রাজধানীর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত বিভাগের শিক্ষক মাহমুদুল হাসান লিখেছেন, ‘বাহ! সুন্দর।’ মিমি চক্রবর্ত্তী লিখেছেন ‘খুব ভালো লাগলো।’ মাহমুদা রিনি লিখেছেন, ‘মুগ্ধ হয়ে শুনলাম দাদা। ভূপেন, নচিকেতা অসাধারণ লাগলো আপনার কণ্ঠে।’ মুরাদদ্দৌলা মিঠু লিখেছেন ‘আমি মুগ্ধ দাদা। মধু সূদন দাস লিখেছেন ‘দাদা, সুন্দর চিরদিনই সুন্দর থাকে। এর কখনও বয়স হয় না, বৃদ্ধ হয় না এমনকি মৃত্যুও হয় না।’ তন্দ্রা ভট্টাচার্য লিখেছেন, ‘চমৎকার বললেও কম হবে।’ এ রকম আরো অনেকে নানা কথামালার ব্যাঞ্জনায় তাদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft