শিরোনাম: সিনহা নিহতের ঘটনায় জড়িত কেউই ছাড় পাবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী       কুষ্টিয়া পৌর মেয়র করোনায় আক্রান্ত       অপপ্রচার চালিয়ে কোনো লাভ হবে না : কাদের       ‘সরকার চামড়াশিল্প ধ্বংসের প্রস্তুতি নিচ্ছে’       বগুড়ায় করোনা আক্রান্ত ৪৫ জন, সুস্থ ৬১       পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কিশোরের মৃত্যু       দেশে আরও ২৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৮৫১       রাজধানীতে আবাসন ব্যবসায়ীকে ডেকে নিয়ে খুন       চুয়াডাঙ্গায় নতুন ৩০ জনের করোনা শনাক্ত       একজন আক্রান্ত হলেই ‘শেষ হয়ে যেতে পারে’ আইপিএল      
মণিরামপুরে করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হলেও রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে না
জাহাঙ্গীর আলম, মণিরামপুর (যশোর)
Published : Thursday, 9 July, 2020 at 11:16 PM, Update: 10.07.2020 9:58:39 AM
মণিরামপুরে করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হলেও রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে নামণিরামপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনার নমুনা দেয়ার পর সময়মতো রিপোর্ট পাচ্ছে না রোগীরা। কেন এমনটি হচ্ছে সে ব্যাপারে স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো কর্মকর্তা সদুত্তর দিতে পারেননি। ভুক্তভোগীরা দফায় দফায় খোঁজ নিয়ে রিপোর্ট না পেয়ে হতাশ হয়ে অন্য জায়গায় নতুন করে নমুনা দিচ্ছে। পরে নমুনা দেয়া রিপোর্ট পাওয়া গেলেও আগের সেই রিপোর্ট আজও মেলেনি। এই অবস্থায় কারো শরীরে করোনাভাইরাস থাকার পরও তাকে অবাধে চলাফেরা করতে হচ্ছে। ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।
গত ২ এপিল থেকে মণিরামপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সন্দেহভাজন করেনা রোগীদের নমুনা সংগ্রহ শুরু হয়। এ পর্যন্ত তিনশ’ ৪১ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এরমধ্যে তিনশ’একজনের রিপোর্টে ৪৩ জন করোনা পজিটিভ হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৬ জন সুস্থ হয়ে উঠলেও ১৭ জন এখনো চিকিৎসাধীন। বাকি ৪০ জনের রিপোর্ট এখনো আসেনি।
গত ১০ জুন করোনা সন্দেহে পৌরসভার হাকোবা এলাকার তপন জ্যোতি কুÐুর নমুনা সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু আজ অবধি তিনি রিপোর্ট পাননি। তপন জ্যোতি কুÐু ক্ষোভের সাথে জানান, নমুনা দেয়ার তিনদিন পর থেকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খবর নেন। কিন্তু প্রতিবারই তাকে বলা হচ্ছে আরও কয়েকদিন দেরি হবে। এভাবে সপ্তাহ পার হলে তিনি হতাশ হয়ে ১৫ জুন যশোরে নমুনা দেন, সেখানেও দেরি হলে তিনি ১৭ জুন ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নমুনা প্রদানের দু’দিন পাওয়া রিপোর্টে জানতে পারেন তার করোনা  নেগেটিভ।
২০ জুন এ হাসপাতালে পৌর এলাকার হাসানুর রহমানসহ আরও পাঁচজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। অথচ এখনো পর্যন্ত তারা কেউ রিপোর্ট পাননি। হাসানুর রহমান বলেন, তিনি দুবাই থেকে ফিরে করোনা সন্দেহে নমুনা প্রদান করেন। কিন্তু এখনো তিনি রিপোর্ট পাননি। তার মতো বাকিরাও রিপোর্ট পাননি।
পহেলা জুলাই আলী হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা এসএম আব্দুর রহিমসহ ১০ জন এবং ২ জুলাই নাহিদ হোসেন, কবির হোসেন, আলী হোসেনসহ নয়জন নমুনা দেন। এদের কেউ আজও রিপোর্ট পাননি।
উপজেলা স্বাস্থ্য  কর্মকর্তা শুভ্রারাণী দেবনাথ বলেন, খুলনা বিভাগের মধ্যে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ আরটি-পিসিআর (রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পলিমার্জ চেইন রিয়াকশন) ল্যাবে করোনা পরীক্ষা করা হয়। যশোর ও কুষ্টিয়ায় আপতত বন্ধ থাকায় রিপোর্ট পেতে দেরি হচ্ছে। গত ১০ ও ২০ জুন দেয়া নমুনার রিপোর্ট কেন পাওয়া যায়নি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তারা সিভিল সার্জন অফিসে পাঠান, কেন হচ্ছে না তারাই ভালো বলতে পারবেন।
এ বিষয়ে সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে বলেন, ল্যাবই ভালো বলতে পারবে। তবে, তিনি কোনো নির্দিষ্ট ল্যাবের কথা উল্লেখ করেননি।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft