শিরোনাম: যশোরের ১৯৩ মিলারের তালিকা অধিদপ্তরে       যশোরে আরও তিনজন করোনায় আক্রান্ত       ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর: ২০০ বছরের মানুষটি       খুলনাকে মডেল বিভাগ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী       দেশে তুন মৃত্যু ৩২, শনাক্ত ১২৭৫       ঝিনাইদহে গাঁজাসহ আটক ২       মাগুরায় দেয়াল চাপায় নিহত ২        খুলনায় রিফ্রেশার্স কোর্সের উদ্বোধন       প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রীভা গাঙ্গুলির বিদায়ী সাক্ষাৎ       রাজশাহী সুগার মিলে কর্মকর্তা-কর্মচারী তিন মাস বেতন বন্ধ      
করোনাকালে যশোরের ক্রীড়াঙ্গন
আন্তরিক হলে ক্রীড়াঙ্গনের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেযা সম্ভব: সায়েদা বানু
আবুল বাসার মুকুল :
Published : Friday, 14 August, 2020 at 1:29 AM
আন্তরিক হলে ক্রীড়াঙ্গনের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেযা সম্ভব: সায়েদা বানুকরোনাকালীন সময়ে ক্রীড়াঙ্গনের ক্ষতি অপরীসিম। আর এ ক্ষতি পুরোপুরি পুষিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। তবে ক্রীড়া সংগঠক ও খেলোয়াড়রা আন্তরিক ও যন্তবান হলে কিছুটা পুষিয়ে নেয়া সম্ভব বলে মনে করেন যশোর জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য সায়দা বানু শিল্পী।
জেলার নারী খেলোয়াড়দের দেখভাল করার বড় একটি দায়িত্ব রয়েছে জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার। নীলরতন ধর রোডে (ভোলা ট্যাঙ্ক) রয়েছে সংস্থার অফিস। এটি ছাড়া এ সংস্থার আর কোনো স্থাপনা নেই। নেই নিজস্ব কোনো মাঠ ও তহবিল।  বাৎসরিক তিন থেকে  চার বার ৩৫ থেকে ৩৮ হাজার টাকা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে প্রদান করে থাকে। সে হিসেবে সর্বোচ্চ ৩৮ হাজার টাকা ধরলে আসে বাৎসরিক এক লাখ ৫২ হাজার টাকা। এ অর্থ দ্বারা ঘরোয়া খেলার পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা অনেক দুরূহ ব্যাপার। তারপরও এ সংস্থাটি সাধ্যমত ক্রীড়াঙ্গনে তাদের কর্মকান্ড পরিচালনা করে যাচ্ছে। কিন্তু খুব বেশি অগ্রসর হতে পারছে না অর্থাভাবে।
জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সায়েদা বানু শিল্পী বলেন, ‘প্রতিকূলতা সব জায়গায় থাকে। আর এ প্রতিকূলতা কাটিয়ে সফলতা ঘরে তোলাই হচ্ছে কাজ করা মানুষের ব্রত। করোনাকলীন সময়ে ব্যক্তিগতভাবে বেশ কিছু নারী খেলোয়াড়কে অর্থনৈতিকভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে। এছাড়া, ত্রাণ ও পূর্নবাসন কর্মকর্তা ও জেলা ক্রীড়াসংস্থার মাধ্যমে কিছু খেলোয়াড়কে খাদ্য সামগ্রী প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তারপরও বেশ কিছু খেলোয়াড় কষ্টের মধ্যে রয়েছেন। আমরা চেষ্টা করছি তাদেরকে কোনোভাবে সহযোগিতা করা যায় কিনা। করেনাকালীন সময়ে আমরা যুব ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কিংবা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে কোনো সহযোগিতা পাইনি। এ দু’টি সংস্থার সাথে আমাদের কেন্দ্রীয় ক্রীড়া সংগঠকরা যোগাযোগ করছেন। যদি কোনো অর্থ আসে তা হলে আমরা তাদের সহযোগিতা করবো’।
তিনি বলেন, করোনা এখনো শেষ হয়ে যায়নি। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে খেলা মাঠে গড়ানো কোনো অবস্থাতেই সম্ভব নয়। করোনাকালীন সময়ে সব শ্রেণি ও পেশার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নানাভাবে। খেলাধুলা মাঠে না থাকায় খেলোয়াড়, ক্রীড়া সংগঠকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
সায়েদা বানু শিল্পী বলেন, ‘করোনা থেকে উত্তরণের পর আমরা আমাদের সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে বসার পাশাপাশি খেলোয়াড়দের মতামত নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো’।  
 





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft