শিরোনাম: সভাপতি লাইজু সম্পাদক মিলি       নিয়ম রক্ষার ষষ্ঠী পেরিয়ে শুক্রবার মহাসপ্তমী       রাসেল হত্যা মামলায় নয় আসামির আত্মসমর্পণ       চাপে চ্যাবডা হয়ে মলাম তবু....       করোনায় আক্রান্ত চার কোটি ১৪ লাখ পার       পূজা পরিষদ নেতা দীপক রায়ের বাড়িতে দুর্গাপূজার উদ্বোধন       যশোরে আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার       রাশেদ খাঁন কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা নির্বাচিত       আহাদ খুন করে বাদলকে, আর ধৃত মানিক খুন করে আহাদকে       কেশবপুরে এমপি শাহীন চাকলাদার শারদীয় উৎসব সবার      
অবস্থা বদলানোর একটাই পথ ‘আন্দোলন’
কাগজ ডেস্ক :
Published : Saturday, 19 September, 2020 at 6:21 PM
অবস্থা বদলানোর একটাই পথ ‘আন্দোলন’গণতান্ত্রিক আন্দোলনই বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষাপট বদলে দেয়ার একমাত্র পথ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের উদ্যোগে ‘মুক্ত সাংবাদিক অন্তর্ধান’ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
ফখরুল বলেন, ‘এই ভার্চুয়াল আলোচনার মধ্য দিয়ে এই ম্যাসেজটা সবাইকে আপনারা (সাংবাদিকরা) দিতে পারেন যে, এখন থেকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ছাড়া দেশকে, গণতন্ত্রকে, সাংবাদিকতাকে- কাউকেই রক্ষা করা যাবে না, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকেও রক্ষা করা যাবে না। আমি একটা কথাই বলব, অবস্থা বদলে দেয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। বদলে দেয়ার একটাই পথ, আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই ভয়াবহ ফ্যাসিস্ট যে সরকার, এই সরকারকে সরাতে হবে। গণতান্ত্রিক আন্দোলনই হচ্ছে আমাদের একমাত্র পথ।’
তিনি বলেন, ‘এই অবস্থা থেকে যদি মুক্তি পেতে হয় আমাদের ঐক্য দরকার হবে। যেটা আমরা সবসময় চেষ্টা করছি। একটা ঐক্য সৃষ্টি করেই আমাদেরকে এগুতে হবে। আসুন গোটা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার সবাই সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালাই, সব রাজনৈতিক দলগুলোকে একখানে আনার চেষ্টা করি এবং জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে আমাদের যে অধিকার, আমরা ১৯৭১ সালে যেটার জন্য যুদ্ধ করেছিলাম একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য, গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য সেটাকে ফিরিয়ে আনার জন্য লড়াই করি সামনের দিকে এগিয়ে যেতে।’
গণমাধ্যমের ওপর সরকারের নিপীড়ন-নির্যাতনের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে যে অবস্থায় পড়েছি, এটা নিঃসন্দেহে সবচেয়ে খারাপ সময়, সবচেয়ে কঠিন সময়। এখানে এমন একটা অবস্থা তৈরি করে ফেলা হয়েছে বিশেষ করে ভয়-ভীতি ও ত্রাস সৃষ্টি করে যে আজকে কেউ সাহস করছে না।’
‘আজকে আমার মনে হয় যে, যত সাংবাদিক এখন বেকার আছেন, এতো বেকার বোধহয় কখনো ছিলো না। পঁচাত্তর সালে বাকশাল করার পর চারটি পত্রিকা রেখেছিলো, বাকিগুলো চলে গিয়েছিলো। আজকে কিন্তু পরোক্ষভাবে ওইরকমই একটা অবস্থা তৈরি হয়েছে। তাদের কথা যারা বলবে, তাদের পক্ষে যারা থাকবে তাদের পত্রিকা চলবে, তাদের চ্যানেল চলবে, তাদের গণমাধ্যমগুলো চলবে। অন্য যারা আছে তাদেরগুলো তারা চলতে দেবে না’ যোগ করেন ফখরুল।
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনায় জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া মো. গোলাম পারোয়ার, বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, ডিইউজের বাকের হোসাইন, আবদুল আউয়াল ঠাকুর, নুরুল আমিন রোকন, বাছির জামাল, রাশেদুল হক, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোরসালীন নোমানী, ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি একেএম মহসিন বক্তব্য রাখেন।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft