শিরোনাম: খোঁজা হচ্ছে সংকট সৃষ্টিকারীদের       সভাপতি লাইজু সম্পাদক মিলি       নিয়ম রক্ষার ষষ্ঠী পেরিয়ে শুক্রবার মহাসপ্তমী       রাসেল হত্যা মামলায় নয় আসামির আত্মসমর্পণ       চাপে চ্যাবডা হয়ে মলাম তবু....       করোনায় আক্রান্ত চার কোটি ১৪ লাখ পার       পূজা পরিষদ নেতা দীপক রায়ের বাড়িতে দুর্গাপূজার উদ্বোধন       যশোরে আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার       রাশেদ খাঁন কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা নির্বাচিত       মণিরামপুরে জোড়া খুন মেয়েলি ঘটনায়       
মাইক্রো থেকে পালিয়েছে এক বন্দী
যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র নিয়ে নতুন করে হৈচৈ
অভিজিৎ ব্যানার্জী
Published : Tuesday, 29 September, 2020 at 12:09 AM
মাইক্রো থেকে পালিয়েছে এক বন্দীনতুন করে হৈচৈ শুরু হয়েছে যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রকে ঘিরে। এবার হাসপাতালে চিকিৎসা দিতে আনা রাজু (১৬) নামে এক বন্দী মাইক্রো থেকে পালিয়ে চম্পট দিয়েছে। সে ফরিদপুর বোয়ালমারীর দেবকিনন্দপুর গ্রামের আব্দুল ওহাব বিশ্বাসের ছেলে।
গতকাল দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত তাকে খোঁজাখুঁজি করলেও তার সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় থানায় জিডি হয়েছে। মাস খানেক আগে ৩ হত্যা, এর আগে বার বার দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেয়া, আবার বন্দী পালানোই নানা প্রশ্ন উঠেছে।
সূত্র জানিয়েছে, ২৮ সেপ্টেম্বর রাজু বিশ্বাস বুকে ব্যথা অনুভব করলে আনুমানিক দুপুর সাড়ে ১২ টায় তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসার জন্য আনা হয। শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের মেডিকেল সহকারী নজির আহমেদ তাকে হাসপাতালের ডাক্তার সোলায়মান কবীরকে দেখিয়ে ওষুধ কিনতে যান। ওই সময় রাজুকে কেন্দ্রের মাইক্রোবাসের ভেতরে বসিয়ে রেখে বাইরে থেকে লক করে দেয়া হয়। কিন্তু নজির আহমেদ এসে দেখেন সে গাড়িতে নেই। ভেতর থেকে লক খুলে সে পালিয়ে  গেছে।
এ ব্যাপারে শিশু উন্নয়ন তত্ত্বাবধায়ক (সহকারী পরিচালক) জাকির হোসেন জানিয়েছেন, তাদের লোকজন পলাতক রাজুকে বাসস্ট্যান্ড, টার্মিনাল, রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন স্থানে খুঁজেছেন। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি। গত ১১ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ চুরির একটি মামলায় ফরিদপুর থেকে ওই কিশোরকে যশোর কেন্দ্রে পাঠানো হয়। তার বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। সে কারণে এদিন সকালে কেন্দ্রের কর্মীদের সাথে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে পাঠানো হয়।
এদিকে খোঁজ নিয়ে তথ্য মিলেছে, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ বরাবরই দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়ে আসছেন। উন্নয়ন কেন্দ্রের একজন কম্পাউন্ডার নজির আহমেদ ও আনসার পিসি অসিত কুমার ওই কিশোরকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলেন। একজন ওষুধ কিনতে গেলেও অপরজন কি করছিলেন এ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
উল্লেখ্য, যশোর পুলেরহাটে অবস্থিত শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে গত আগস্টে তিন কিশোর বন্দী খুন হয়। এর বছর কয়েক আগেও এক বিদ্রোহে ৩ জন খুন হয়। এছাড়া মারপিটের ঘটনা ঘটেই থাকে। শিশু উন্নয়নে সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যয় করলেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষক কর্মকর্তারা সব ম্লান করে দিচ্ছেন। এখানে উল্টোটি হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একের পর এক দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেয়ায় নতুন করে হৈচৈ শুরু হয়েছে।






« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft