আজ বৃহস্পতিবার, ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৩ নভেম্বর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম: ‘নোলক’এ ওমর সানি-মৌসুমী       'স্বামী-সন্তান আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকতে চাই'       কবে মুক্তি মিলবে জনগনের ?       নিবিড় পর্যবেক্ষণে মহিউদ্দিন চৌধুরী       কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হবে : প্রধানমন্ত্রী       নিশ্চিত নাজমুল হুদা, অপেক্ষায় কাদের সিদ্দিকী        ২০ শিক্ষার্থীকে পিটিয়েছে ছাত্রলীগ নেতা!       মোদির গলা ও হাত কাটতে প্রস্তুত বিহারের অনেকেই!       ঘোড়ামারা আজিজসহ ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড       এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১ ফেব্রুয়ারি      
কলেজ ক্লার্কের সাথে যশোর শিক্ষাবোর্ড কর্তার অসৌজন্য আচরণের অভিযোগ
কাগজ সংবাদ :
Published : Thursday, 14 September, 2017 at 12:53 AM
কলেজ ক্লার্কের সাথে যশোর শিক্ষাবোর্ড কর্তার অসৌজন্য আচরণের অভিযোগ কলেজের একজন ক্লার্কের সাথে যশোর শিক্ষাবোর্ডের উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের সেকশন অফিসারের অসৌজন্য আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে তাৎক্ষণিক ক্ষোভ প্রকাশ করেন বোর্ডে আসা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা। ক্ষুব্ধ শিক্ষক-কর্মচারীরা বলেন, কারোর ভুল হতেই পারে। তাই বলে বোর্ডের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর হাতে অপমান অপদস্ত হতে হবে এটি কাম্য নয়।
মহেশপুর সরকারি কলেজের অফিস সহকারী আনোয়ার হোসেন বুধবার শিক্ষাবোর্ডে আসেন ২০১৬ সালে তার কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট নিতে। উপ-পরীক্ষা (উচ্চ মাধ্যমিক) নিয়ন্ত্রক সমীর কুমার কুন্ডুর কাছ থেকে ফরোয়াডিংয়ে সই করিয়ে একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট নিতে সেকশন অফিসারের কাছে যান আনোয়ার।
তিনি বলেন, মহেশপুর সরকারি কলেজের পরীক্ষার্থীরা পাশের মহিলা কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দেয়। ওই কেন্দ্রের পক্ষ থেকে তাদের ছাত্রছাত্রীর একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই কথা বলার পরপরই সেকশন অফিসার আনোয়ার হোসেনের ওপর তেড়ে এসে তাকে মারতে উদ্যত হন বলে অভিযোগ করেছেন ওই অফিস সহকারী। আনোয়ার হোসেন বলেন, মহেশপুর সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ২০১৪ সাল থেকে অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষার্থীর একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও সার্টিফিকেট তাদের কাছেই দেয়া হয়। সর্বশেষ, ২০১৬ সালেও দেয়া হয়েছে। এ কারণে তিনি কেন্দ্রের সবগুলো একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট চেয়েছিলেন। এ ব্যাপারে সেকশন অফিসারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ সম্পূর্ণ বানোয়াট। কন্ট্রোলার সাহেব তাকে বুঝিয়ে সব মিটিয়ে দিয়েছেন। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র বলেন, যতটা শোনা যাচ্ছে ততটা না। দুইজনের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে। পরে আমি মিটিয়ে দিয়েছি। 




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft