আজ বৃহস্পতিবার, ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৩ নভেম্বর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম: ‘নোলক’এ ওমর সানি-মৌসুমী       'স্বামী-সন্তান আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকতে চাই'       কবে মুক্তি মিলবে জনগনের ?       নিবিড় পর্যবেক্ষণে মহিউদ্দিন চৌধুরী       কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হবে : প্রধানমন্ত্রী       নিশ্চিত নাজমুল হুদা, অপেক্ষায় কাদের সিদ্দিকী        ২০ শিক্ষার্থীকে পিটিয়েছে ছাত্রলীগ নেতা!       মোদির গলা ও হাত কাটতে প্রস্তুত বিহারের অনেকেই!       ঘোড়ামারা আজিজসহ ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড       এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১ ফেব্রুয়ারি      
স্বাস্থ্যসেবা ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের সূচনা
দুর্নীতির লাগাম টানতে অনলাইন ডাটাবেজ হচ্ছে হাসপাতাল ও ডাক্তারদের
ফয়সল ইসলাম :
Published : Tuesday, 24 October, 2017 at 2:32 AM, Update: 24.10.2017 1:37:51 AM
দুর্নীতির লাগাম টানতে অনলাইন ডাটাবেজ হচ্ছে হাসপাতাল ও ডাক্তারদের আগামী এক মাসের মধ্যে দেশের স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের সূচনা হতে যাচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতালের তথ্য শুধু নয়, কোথায় কোন্ ডাক্তার কাজ করছেন তার যাবতীয় তথ্য সমৃদ্ধ অনলাইন ডাটাবেজ তৈরী হচ্ছে। ফলে স্বাস্থ্য সেক্টরে চলমান দুর্নীতি এক মাস পরই ৫০ ভাগ কমে যাবে বলে আশা সংশ্লিষ্ট মহলের। গতকাল যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে এমনটাই জানালেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হসপিটাল এন্ড ক্লিনিকস বিভাগের ডিরেক্টর ও হসপিটাল সার্ভিস ম্যানেজমেন্টের লাইন ডিরেক্টর ডাক্তার কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন।
সম্প্রতি দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার নামে নানা অরাজকতার চিত্র সরকারকে বিব্রত করে। ফলে সুশৃংখল পরিবেশে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের নির্দেশে মাঠে নেমেছেন উর্ধ্বতন কর্তারা। তারই ধারাবাহিকতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডাক্তার জাহাঙ্গীর গতকাল যশোরে এসে সাংবাদিকদের সাথে খোলামেলা কথা বলেছেন।
তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অপারেশন প্লানে (ওপি) সরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নের জন্যে হাজার হাজার কোটি টাকা আছে। যশোর হাসপাতালে একটি ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন স্থাপন করা কোন ব্যাপারই না। কিন্তু স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনাগ্রহের কারণে তা এখনো আসেনি। যশোর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিঠি দিয়েছেন মন্ত্রীর ও সচিবের কাছে। চিঠি দিয়েই তারা দায়িত্ব শেষ করেছেন।  মেশিনটি সরবরাহ হবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে। কিন্তু স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সেখানে যোগাযোগের কোন প্রয়োজনবোধ করেননি। শিশু না কাঁদলে যেমন মা দুধ দেন না। তেমনি অবস্থা হয়েছে যশোর হাসপাতালের ক্ষেত্রে।
তিনি আরো জানান, গত মাসে ১০টি ফোর-ডি কালার ডপলার আল্ট্রাসনো মেশিন কেনা হয়েছে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহের জন্যে। একটি হাসপাতালের পরিচালক ইতিমধ্যে যোগাযোগ করে মেশিন নিয়েছেন। কিন্তু যশোর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোন চাহিদা পাওয়া যায়নি। যশোরের মানুষের উন্নত সেবা দেয়ার ব্যাপারে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতার ঘাটতি সীমাহীন। চলতি অর্থ বছরে সাড়ে ৪শ’ কোটি টাকা বরাদ্দ নেয়া হয়েছে দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের যন্ত্রপাতি কেনার জন্যে। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে নয়, চাহিদা অনুযায়ী স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে টাকা বরাদ্দ দেয়া হবে যন্ত্রপাতি কেনার জন্যে। সেক্ষেত্রে ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন, আল্ট্রাসনো মেশিন, ইসিজি মেশিন, ইকোকার্ডিওগ্রাম মেশিনসহ বিভিন্ন মেশিনের খুচরা যন্ত্রাংশ কিনতে পারবেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।
যশোরের বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার নামে যে নৈরাজ্য চলছে সে বিষয়ে পরিচালক জাহাঙ্গীর বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নথিপত্রে সারাদেশে ২৩ হাজার ৭শটি বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিকের লাইসেন্স আছে বলে তথ্য রয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে পরিচালকের দপ্তর আদৌ জানে না দেশে বেসরকারিভাবে পর্যায়ে চলমান কতোটি বৈধ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র আছে। যা খুবই হতাশা ও উদ্বেগজনক। কিছু ব্যবসায়ী যেনতেন অবস্থায় স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের নামে দোকান খুলে মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করছে। যশোরে যারা ক্লিনিক ব্যবসার সাথে জড়িত তাদের সতর্ক হওয়া উচিত। ১০ বেডের একটি হসপিটালের অনুমোদন নিতে হলে সার্বক্ষণিক চিকিৎসার জন্যে ৩ জন ডাক্তার, ৬ জন নার্স, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ৩জন ক্লিনার থাকতে হবে। একই সাথে যেনতেন ভবনে হসপিটাল পরিচালনা করা যাবে না। একটি বেডের চেয়ে অন্যটিরও দূরত্ব থাকতে হবে ৮০ বর্গফুট। যথাযথ নিয়ম ও বিধি না মানা অবস্থা আর বেশিদিন চলবে না।
বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নতুন লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নের জন্যে সরকার নতুন কার্যকরি এবং জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। এখন থেকে জেলা পর্যায়ে সিভিল সার্জন চাইলেই লাইসেন্সের জন্যে ইচ্ছামাফিক সুপারিশ করতে পারবেন না। নির্দিষ্ট ফরম প্রবর্তন করা হয়েছে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান লাইসেন্সের জন্যে আবেদন করলে সিভিল সার্জনকে নির্দিষ্ট ফরম মোতাবেক পরির্দশন প্রতিবেদন দিতে হবে। সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে পরির্দশন টিমে আরো দু’জন বিশেষজ্ঞ থাকবেন। তারাও পৃথক প্রতিবেদন দেবেন। একই সাথে আবেদনকারীকেও ওই ফরম পূরণ করে জমা দিতে হবে। চেক ও ক্রসচেক করে প্রতিবেদন সঠিক পাওয়ার পরই নতুন লাইসেন্স প্রদান ও পুরানো গুলো নবায়ন করা হবে। এক্ষেত্রে অনিয়ম অনেকাংশে কমে যাবে।
সরকারি হাসপাতালে রোগী সেবার ক্ষেত্রে ডাক্তারদের অনিহা অবহেলা বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পরিচালক ডাক্তার জাহাঙ্গীর বলেন, অপারেশন করার পর থেকে রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরা পর্যন্ত দায়ভার ডাক্তারের। কোন ক্রমেই রোগীর ক্ষতস্থানের ড্রেসিং, ওয়ার্ডবয়, আয়া, ক্লিনার দিয়ে করা যাবে না। সার্জন অপারেশন করবেন আর বাদবাকি কাজ গুলো করার দায়িত্ব সহকারী ডাক্তারের। যদি যশোর হাসপাতালে এটা না হয়ে থাকে তবে তা অনিয়ম। এর প্রমাণ সাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
মেডিকেল কলেজের ক্লিনিক্যাল বিভাগের ডাক্তাররা হাসপাতালে রোগী সেবা দেন না। তা শুধু দিনের পর দিন নয়, মাসের পর মাসও। এ তথ্য জেনে হতভম্ব হয়েছেন পরিচালক ডাক্তার জাহাঙ্গীর। তিনি বলেছেন কোন সচেতন নাগরিক যদি এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেন বা পত্রিকায় তথ্য প্রমাণসহ সংবাদ প্রকাশ হয় তবে ফাঁকিবাজদের বিরুদ্ধে যথাপোযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পরিচালক কাজী জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে একটি টিম যশোর হাসপাতালে আসে বিকেল ৩ টা ৫৫ মিনিটে। আগে থেকেই তাকে অভ্যর্থনা জানাতে প্রস্তুত ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার একেএম কামরুল ইসলাম বেনুসহ বিভিন্ন বিভাগের ডাক্তাররা। পরিচালক নিজে তত্ত্বাবধায়কের সাথে কুশল বিনিময় করলেও হাসপাতালের প্রকৃত চিত্র দেখতে গোপনে পরিদর্শনে চলে যান তার টিমের অন্য সদস্যরা। প্রথমেই পরিচালককে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালের সভাকক্ষে। তত্ত্বাবধায়ক বিভিন্ন ফাইলপত্র দেখিয়ে হাসপাতালের উন্নত সেবার মান ও বিভিন্ন সংকট সমস্যার কথা বলতে থাকেন। সব শুনে পরিচালক বলেন শোনা কথায় বিশ্বাস করি না। হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ড ও বিভাগ সরেজমিন দেখবো। তারপর বিশ্বাস করবো, মন্তব্য জানাবো। হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের প্রধানদের খুঁজতে থাকেন পরিচালক। প্রথম অবস্থায় অধিকাংশ বিভাগীয় প্রধানরা অনুপস্থিত ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডাক্তার শেখ ছাইদুল হককে খুঁজেই পাওয়া যায়নি। কারণ তিনি যশোরেই ছিলেন না।
সভাকক্ষ ছেড়ে সন্ধ্যার পর পরিচালক ডাক্তার জাহাঙ্গীর পরিদর্শনে নামেন হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, প্যাথলজি, আল্ট্রাসনো, এক্স-রে বিভাগ। এছাড়াও প্রসূতি ও  শিশু ওয়ার্ড, অপারেশন থিয়েটার ও করোনারি ইউনিটের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিদর্শনসহ রোগী ও স্বজনদের সাথে কথা বলেন।
উল্লেখ্য, সরকার স্বাস্থ্য সেক্টরের উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা নিলেও একটি সংঘবদ্ধ চক্র তা বাস্তবায়ন প্রতিনিয়ত বাধাগ্রস্ত করছে। তাদের সংখ্যা বেশি না হলেও তৎপরতার পরিধি ব্যাপক। যশোরের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার বেহাল অবস্থা সম্পর্কে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ওয়াকিবহাল। সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার কাছেও নেতিবাচক তথ্য রয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে চিকিৎসার নামে ব্যবসা করার অভিযোগে যশোরের ১শ’ ৩ টি বেসরকারি হাসপাতাল গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছে। যার একটি তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে। গত ২০ সেপ্টেম্বর গ্রামের কাগজে এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ হয়েছে।
যশোরের সিভিল সার্জন কার্যালয় ভিজিলেন্স টিম গঠন করে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি   থেকে আগস্ট পর্যন্ত শহরের বেশ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরির্দশন করেন। তার মধ্যে নাম করা ৬টি প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্য সেবার নামে চলা নৈরাজ্য দেখে হতবাক হন টিমের সদস্যরা। মালিক পক্ষকে সবত্রুটি সংশোধন করে সঠিকভাবে মানুষের সেবা দেয়ার তাগিদ দেয়াসহ পরিদর্শন প্রতিবেদন স্বাস্থ্য বিভাগের উর্ধ্বতন দপ্তরে প্রেরণ করা হয়। যশোরের বেসরকারি হাসপাতালে সেবার নামে চলমান নৈরাজ্যের বিষয়ে গত ১৮ অক্টোবর গ্রামের কাগজে আরো একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে।
একদিকে গোয়েন্দা প্রতিবেদন ও অন্যদিকে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশে টনক নড়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডাক্তার জাহাঙ্গীর সাংবাদিকদের কাছে স্বীকার করেছেন স্বয়ং মন্ত্রীর নির্দেশে তিনি যশোরের সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে চলমান স্বাস্থ্যসেবার হালহকিকত জানতে সরেজমিন পরিদর্শনে এসেছেন।

অ্যাপ্রোন নিয়ে টানাটানি
সোমবার দুপুরের পর থেকে যশোর সদর হাসপাতালের চিত্র ছিল অন্যদিনের থেকে ব্যতিক্রম। চারপাশ ছিমছাম পরিস্কার। বিভিন্ন ওয়ার্ডে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর স্বজনদের ভিড় ছিলনা। হঠাৎ করেই এমন পরিবেশ দেখে আশ্চর্য হয়েছেন অনেকেই। তবে এ পরিবেশ ছিল মাত্র কয়েক ঘন্টার জন্য।
বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডাক্তার কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন আসেন হাসপাতাল পরিদর্শনে। সর্বোচ্চ কর্মকর্তা থেকে নিন্ম পর্যায়ের কর্মচারী সকলের মধ্যেই এ সময় ছিল আলাদা প্রস্তুতি। ওয়ার্ড গুলোতে ছিলো না রোগীর স্বজনদের বাড়তি কোন ভীড়। ডাক্তার কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন হাসপাতাল প্রাঙ্গণে ঢোকার সাথে সাথে সকলেই নড়েচড়ে বসেন। এ সময় ডাক্তারদের কাছে অ্যাপ্রোন পৌছে দেয়ার জন্য অনেকের মধ্যে ছিল বিশেষ ব্যস্ততা। থাকবেই না বা কেন ? কারণ অধিকাংশ ডাক্তার অ্যাপ্রোন পরতে অভ্যস্ত নন। ফলে হাসপাতালে পর্যাপ্ত অ্যাপ্রোন নেই। পরিচালকের সামনে অ্যাপ্রোন ছাড়া হাজিরও হওয়ায় লজ্জার ব্যাপার। তাই একজনের অ্যাপ্রোন নিয়ে অন্যজনের মধ্যে টানাটানি হতে দেখা গেছে।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft