http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
মানুষ মারার রাজনীতিতে
নেইতো কোনো দর্শন,
কিংবা গাড়ি ভাঙ্গা এবং
গুলি-বোমা বর্ষণ।
তবু যারা মানুষ মারে
চলে মহান নীতিতে,
তাদের দলে আমিতো নেই
কোনো রকম প্রীতিতে!

প্রধানমন্ত্রীকে ‘বাচাল’ বলে নতুন আলোচনায় মাহফুজ
    A+ A A-

প্রধানমন্ত্রীকে ‘বাচাল’ বলে নতুন আলোচনায় মাহফুজ

কাগজ ডেস্ক : লন্ডনে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির হত্যাকাণ্ড নিয়ে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘বাচাল’ বলে আবারও আলোচনায় এসেছেন এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান।
সোমবার একুশে টেলিভিশনের সংবাদে ওই বক্তৃতার ফুটেজটি প্রচারের পর তা ছাড়িয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগের অনলাইন মাধ্যমগুলোয়। 
গত ৩০ মে লন্ডনে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করে এটিএন বাংলা চেয়ারম্যান। এক পর্যায়ে তিনি সাংবাদিক দম্পতিকে ‘পরকীয়ার বলি’ বলেও উল্লেখ করেন। 
ওই মন্তব্যের পর সাংবাদিকসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা ও মাহফুজকে গ্রেপ্তারের দাবি ওঠে। 
একুশে টেলিভিশনে সোমবার প্রচারিত নতুন আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায় লন্ডনে এক প্রশ্নের জবাবে মাহফুজ বলেন, ‘আরে, প্রাইম মিনিস্টার কতো না কথা বলেন। প্রাইম মিনিস্টারের বক্তৃতা শুনছেন না, ওইটাও বলছে, আমরা কি ড্রয়িংরুম পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব নিছি? এইটা হচ্ছে, বেশি কথা বলতে বলতে বাচালের ফট করে একটা মিসটেক হয়ে যায় না, এ রকম একটা মিসটেক হয়ে গেছে।” 
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির হত্যাকারীদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারে সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে সমালোচনার মধ্যে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, “সাংবাদিকরা এখন সকলে মিলে আন্দোলন করছেন। কিন্তু, সরকারের পক্ষে তো কারো বেডরুম পাহারা দেওয়া সম্ভব নয়।” 
সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোমবার মানববন্ধনের সময় এক সাংবাদিক নেতার ওপর এটিএন বাংলার কর্মীদের হামলার ঘটনার পর এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে সাংবাদিক সংগঠনগুলো। 
সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে এই ঘোষণার পাশাপাশি এটিএন বাংলার টক শোসহ সব অনুষ্ঠান বর্জনের জন্যও সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। 
রোববারের কর্মসূচিতে ‘হামলা’র জন্য এটিএন বাংলার কয়েকজন সাংবাদিককে দায়ী করে ওই টেলিভিশনের নয়জন সাংবাদিক এবং দৈনিক ভোরের কাগজের একজন সাংবাদিককে দায়ী করে মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতারা বলেন, ওই ১০ জনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফাস্ট কলাম -এর সকল খবর