

আসাদ বেহেস্তী
বাজেট করতে পাশ
সংসদ বসছে,
এই নিয়ে কেউ কেউ
অংকটা কসছে!
অংকের মারপ্যাচে
পিষে যত যন্ত্র,
বাঁচবার মন্ত্রটা
যপে গণতন্ত্র!
উন্নত কর্মপরিবেশ ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার অভাবের কারণে বাংলাদেশের পণ্য নিয়ে মার্কিন ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। তাই পরিস্থিতির উন্নতি না হলে বাংলাদেশের পণ্য কিনে নিজেদের সুনাম নষ্ট করার ঝুঁকি নেবে না মার্কিন ব্যবসায়ীরা।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাব আয়োজিত মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন। জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের সভাপতি কামালউদ্দিন সবুজ সভাপতিত্ব করেন।
পদ্মাসেতু প্রকল্প থেকে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বাতিল বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংক এ বিষয়ে কোনোরকম সুরাহায় পৌঁছাতে না পারায় আমি অত্যন্ত হতাশ হয়েছি। তবে দুই পক্ষ নিজেদের মতভেদ দূর করে একটি সুরাহায় পৌঁছাতে পারবেন বলে আশা করি।’ বাংলাদেশের গণতন্ত্রের স্বার্থে আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার পক্ষে মত দেন তিনি।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, দেশটির প্রধান দুই দলের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। তবে দুই দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘দুই পক্ষই সমঝোতায় পৌঁছাতে চায় বলে আমার মনে হয়েছে। তারা নিজেদের মতপার্থক্য দূর করতে পারবেন বলে আমি আশা করি।’
মার্কিন রাষ্ট্রদূত দুই সপ্তাহের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন। সফরে তিনি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, পেন্টাগন, মার্কিন কংগ্রেস ছাড়াও চেম্বার ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সুশাসন, মানবাধিকার, বিনিয়োগ পরিস্থিতি ও শ্রমিক নেতা আমিনুল হত্যাকাণ্ডের বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে।
