http://www.finamate.com/

আর্কাইভ
শিক্ষকের হিংস্রতা

আসাদ বেহেস্তী
দু’সাংবাদিক হত্যা হলো
মিলছেনা এর জবাবটা,
হত্যা করেই যায়না বদল
সাংবাদিকের স্বভাবটা।
সাংবাদিকের কাজটা কঠিন
বিপদ ঘটে চতুর্দিক,
আনেই তুলে আসল খবর
কোনটা গরল কোনটা ঠিক !

মুঠোফোনে কথা বললেই যুদ্ধাপরাধী !
    A+ A A-

কাগজ ডেস্ক : দেশের ভেতরে মোবাইল ফোনে কাউকে কথা বলতে দেখা গেলে তাকে আটক করা হবে এবং একই সঙ্গে তাকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। এ ছাড়া আইন অনুযায়ী তাদের বিচার করা হবে। উত্তর কোরীয় সরকারের মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর এমন নিষেধাজ্ঞার খবর দেশটির গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
উত্তর কোরিয়ার গণমাধ্যমের বরাত দিতে যুক্তরাজ্যের দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ জানায়, অনেক দিন আগে থেকেই তথ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে উত্তর কোরিয়ায় কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়। কিন্তু দেশটির সাবেক নেতা কিম জং ইলের মৃত্যুর পর দেশটি এমনিতেই কঠিন সময় পার করছে। এ জন্যই দেশটির নতুন শাসক কিম জং উন জনসাধারণের মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছেন।
এ ছাড়া বহির্বিশ্বের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের ফলে উত্তর কোরিয়ার জনগণের মধ্যে মতানৈক্য তৈরি হতে পারে—এ শঙ্কায় রয়েছে দেশটির সরকার। বিশেষ করে কিছুদিন আগে আরববসন্তের উত্থানের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ যেমন তিউনিসিয়া, লিবিয়া ও মিসরে বহুদিন ধরে চলা একনায়কতান্ত্রিক শাসকের পতন ঘটেছে। এ বিষয়গুলো দেশটির জনগণের মধ্যে মতভেদ তৈরি করতে পারতে পারে। অথবা এর প্রভাবে দেশটিতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এ বিষয়গুলো মাথায় রেখেছে উত্তর কোরিয়া সরকার।
খবরে বলা হয়, উত্তর কোরিয়ার কিছু নাগরিকের দক্ষিণ কোরিয়ায় পালিয়ে যাওয়ারও কথা রয়েছে। মোবাইল ফোন এ ব্যাপারে তাদের সহায়তা করতে পারে। এরই মধ্যে উত্তর কোরিয়ার প্রায় ২৩ হাজার নাগরিক দেশ ত্যাগ করে দক্ষিণ কোরিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছে।