


আসাদ বেহেস্তী
দু’সাংবাদিক হত্যা হলো
মিলছেনা এর জবাবটা,
হত্যা করেই যায়না বদল
সাংবাদিকের স্বভাবটা।
সাংবাদিকের কাজটা কঠিন
বিপদ ঘটে চতুর্দিক,
আনেই তুলে আসল খবর
কোনটা গরল কোনটা ঠিক !
কাগজ সংবাদ : যশোর শহর তরুণ লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নান্নুকে সিটি কলেজ পাড়ার তবিবর রহমান হত্যা প্রচেষ্টায় জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদ সত্য নয় বলে দাবি করেছেন তার পরিবারের সদস্যবৃন্দ। তারা দাবি করেছেন, স্থানীয় একটি কুচক্রী মহল ঘটনাকে ভিন্নখাতে নেবার চেষ্টা করছে। গতকাল প্রেসক্লাব যশোরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নান্নুর ভাই মাহফুজুর রহমান এ দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়েছে,গত ১৭ জানুয়ারি রাতে সিটি কলেজ পাড়ার মুদি দোকানি তবিবর রহমান সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় তবিবর রহমানের স্ত্রী চাক্ষুস সাক্ষী হিসেবে তিনজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। এরা হলো ওই এলাকার রাশেদ, শাহাজাহান ও মাহফুজ। ঘটনার পর এলাকাবাসীর সহায়তায় ঘাতক রাশেদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সে তার সহযোগিদের নাম পুলিশের কাছে বলেছে। এজাহারভুক্ত অপর দু’আসামি ঘটনার পর থেকে পলাতক। যশোরের বিভিন্ন পত্রিকায় এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। যাতে উল্লেখ করা হয়েছে ঘাতকরা তরুণ লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নান্নুর কাছ থেকে অস্ত্র নিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এ কথার ভিত্তি জোরদার করতে উল্লেখ করা হয় নান্নুর বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া সে মাদকাসক্ত।
লিখিত বক্তব্যে আরো উল্লেখ করা হয়, এ সংবাদগুলো তার পরিবারের দৃষ্টি গোচর হয়েছে। একটি কুচক্রী মহলের দেয়া তথ্য মতে নান্নুকে এ মামলায় জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। নান্নুর ভাই মাহফুজুর রহমান বলেন, নান্নুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক একাধিক মামলা রয়েছে। কিন্তু সে তবিবর রহমান হত্যা প্রচেষ্টার সাথে জড়িত নয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত তবিবর রহমানের স্ত্রী নাছিমা বেগম বলেন, তারা একটি বাড়ি নির্মান করছেন। এজন্য রাশেদ ও শাহজাহান দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করায় তারা তবিবর রহমানকে ক্ষতি করার হুমকি দেয়। এরপর গত ১৭ জানুয়ারি রাতে তিনি ও তার স্বামী যখন দোকান বন্ধ করছিলেন রাশেদ ও শাহজাহান সেখানে আসে। এসময় রাশেদ তার স্বামীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। চলে যাবার সময় লক্ষ্য করেন তাদের সাথে অন্ধকারে মাহফুজও দাড়িয়েছিলো।
তিনি আরো বলেন, নান্নু এ ঘটনায় কোনভাবে জড়িত নয়। কারণ তিনি রাশেদকে ধরিয়ে দিতে এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে পুলিশকে সহায়তা করেছে। তিনি আরো বলেন পত্রিকাতে নান্নুকে নিয়ে যা লেখা হচ্ছে তা সত্যি নয়।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নূরুল ইসলাম, কোরবান আলী, গোলাম রহমান, হাজী লুৎফর রহমান, সেলিম, মুশফিকুর রহমান বুলবুল, আসাদুজ্জামান সুমনসহ এলাকার বিভিন্ন পেশার মানুষ।
