


আসাদ বেহেস্তী
দু’সাংবাদিক হত্যা হলো
মিলছেনা এর জবাবটা,
হত্যা করেই যায়না বদল
সাংবাদিকের স্বভাবটা।
সাংবাদিকের কাজটা কঠিন
বিপদ ঘটে চতুর্দিক,
আনেই তুলে আসল খবর
কোনটা গরল কোনটা ঠিক !
বিশেষ প্রতিনিধি : যশোরের নীলগঞ্জ তাঁতীপাড়ার শরিফুল ইসলাম হত্যাকান্ডের চার দিনেও পুলিশ একজনকেও আটক করতে পারেনি। হত্যামিশনের সদস্য অভিযোগ তুলে মামলায় ওই এলাকার আলোচিত চার দুর্বৃত্তের নাম উল্লেখ করে হলেও পুলিশ অনেকটা নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে বলে পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ।
২৬ জানুয়ারি সকালে যশোরের নড়াইল বাস ষ্ট্যান্ডের পাশের একটি প্রাচীর ঘেরা ফাঁকা জমিতে নীলগঞ্জের শহিদুল ইসলামের ছেলে শরিফুল ইসলাম (২০)কে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে হত্যা করে স্থানীয় দুর্বৃত্তরা। ছিনতাইয়ের টাকা সংক্রান্ত বিরোধে বন্ধু গোছের একই গ্র“পের দুর্বৃত্তরা এ হত্যাকান্ড ঘটাতে পারে বলে পুলিশ তথ্য দিলে পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যাকান্ডের কারন ভিন্ন বলে অভিযোগ করেন। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই এলাকার চার দুর্বৃত্ত তাকে কৌশলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে বলে অভিযোগ তুলে ২৭ জানুয়ারি মামলা দেয়া হয়। নিহতের মা আইতুন বিবির দেয়া ওই মামলায় আসামিরা হচ্ছে নীলগঞ্জের স্বপন আহমেদের ছেলে শুব্রত ওরফে শুভ, পাঁচু শেখের ছেলে শিপন, একই এলাকার বাঁধন ও মজিদ।
মামলা তদন্তের দায়িত্ব পান থানার এসআই সন্তু বিশ্বাস। তদন্তের নামে তিনি প্রহসন করছেন বলে ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের দাবি। তারা বলেছেন, আলোচিত ক্রাইম পয়েন্ট ঝুমঝুমপুর নীলগঞ্জ তাতিয়ে রাখা আলোচিত দুর্বৃত্তরা প্রকাশ্য দিবালোকে শরিফুলকে হত্যা করলেও এসআই সন্তু চারদিনেও কোন আসামি আটক করেননি। তারা দাবি করেছেন, আসামিদের বাড়িতে অভিযান চালানো এবং তাদের স্বজনদের চাপ দিলেও আসামিদের অবস্থান জানা ও আটক সম্ভব । অথচ এসআই সন্তু চলছেন অন্য পথে। তিনি আসামি পক্ষ নিচ্ছেন কিনা তা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে।
শরিফুল ইসলামকে তার বন্ধু গোছের দুর্বৃত্তরাই হত্যা করেছে বলে পুলিশ যে তথ্য পেয়েছিল সে মোতাবেকও একজনও আটক হয়নি।। এছাড়া ২৫ জানুয়ারি বারান্দি মোল্লাপাড়ার একটি দুর্বৃত্ত চক্রের সাথে শরিফুলের হাতাহাতির বিষয়টিও মামলা তদন্তে সহায়ক হতে পারে, এদিকটিও আমলে আনেনি পুলিশ।
এসব বিষয় নিয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সন্তু বিশ্বাস জানান, মামলা তদন্ত চলছে জোরেসোরে। আসামিদের আটকের জন্য সম্ভাব্য নানাস্থানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলার এজাহার নামীয়রা ছাড়াও ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা এব্যপারেও তদন্ত চলছে। আসামিরা দ্রুত আটক হবে বলেও তিনি জানান।
