


আসাদ বেহেস্তী
দু’সাংবাদিক হত্যা হলো
মিলছেনা এর জবাবটা,
হত্যা করেই যায়না বদল
সাংবাদিকের স্বভাবটা।
সাংবাদিকের কাজটা কঠিন
বিপদ ঘটে চতুর্দিক,
আনেই তুলে আসল খবর
কোনটা গরল কোনটা ঠিক !
কাগজ সংবাদ : কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা বিএনপি রোববার সকালে যশোরে বিশাল গণমিছিল বের করে। মিছিলপূর্ব সমাবেশে জেলা বিএনপির নেতারা বলেন, সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে গণআন্দোলনের মাধ্যমে বিএনপি আগামী নির্বাচনে বিজয় ছিনিয়ে আনবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে বাধ্য করা হবে জানিয়ে নেতারা বলেন, পুলিশ ও সরকারের পেটোয়াবাহিনী দিয়ে বিরোধী দলের আন্দোলন স্তব্ধ করা যাবে না।
বিএনপি নেতারা বলেন, আন্দোলনে ভয় পেয়ে সরকার ঢাকায় গণমিছিল বন্ধ করেছে। এদেশকে ভারতের অঙ্গরাজ্য বানানোর খায়েশ বিএনপি কখনোই পূরণ হতে দেবে না।
জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামসুল হুদার সভাপতিত্বে যশোর টাউন হল মাঠে গণমিছিলপূর্ব সমাবেশে বক্তৃতা করেন দলের কেন্দ্রীয় নেতা ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুব, আবুল হোসেন আজাদ, ফারাজী মতিয়ার রহমান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, অ্যাডভোকেট জাফর সাদিক, অ্যাডভোকেট মুহম্মদ ইসহক, দেলোয়ার হোসেন খোকন, আব্দুস সালাম আজাদ, মিজানুর রহমান খান, নূর উন নবী, মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, জাহাঙ্গির আলম শাকিল, নুর জালাল রুনু, ফিরোজা বুলবুল কলি, আজগর হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন, আবিদুর রহমান কুয়াশা, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, আশিকুর রহমান আকুল, তমাল আহমেদ এবং রবিউল ইসলাম।
গণমিছিলে যশোরের সকল উপজেলার বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন। গণমিছিলটি সু-শৃঙ্খলভাবে যশোরের ঐতিহাসিক টাউন হল মাঠ থেকে শুরু হয়ে দড়াটানা-চৌরাস্তা- আরএন রোড হয়ে মণিহার চত্বরে এসে শেষ হয়। মিছিলে দশ সহস্রাধিক নেতাকর্মী অংশ নেয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে। বিশাল এই মিছিলের কারণে শহরে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।
