


আসাদ বেহেস্তী
দু’সাংবাদিক হত্যা হলো
মিলছেনা এর জবাবটা,
হত্যা করেই যায়না বদল
সাংবাদিকের স্বভাবটা।
সাংবাদিকের কাজটা কঠিন
বিপদ ঘটে চতুর্দিক,
আনেই তুলে আসল খবর
কোনটা গরল কোনটা ঠিক !
কাগজ সংবাদ : বাঘারপাড়ার পল্লীতে এক পরিবারের উপর হামলা চালানোর ঘটনায় স্থানীয় দুর্বৃত্তদের সাথে অংশ নিয়ে থানা পুলিশ সন্ত্রাসী ভুমিকায় অবতীর্ন হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই চক্রে যোগ দিয়ে মিজান নামে এক দারোগা ভূক্তভোগী পরিবারের মহিলাকে মারপিট শ্লিলতাহানীর ঘটনা ঘটিয়েছে বলেও থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, বাঘারপাড়ার রায়পুর গ্রামের প্রবাসী মুস্তাইন আহমেদের বাড়ির জমি জবর দখলের চেষ্টা ও তার পরিবারকে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র করে আসছিল একই গ্রামের তাইজেল ইসলাম গং। গত ২৮ জানুয়ারি দুপুরে তাইজেল তার ছেলে রাশেদ আহমেদ, মেয়ে জোৎস্না খাতুন ও থানার এসআই মিজানুর রহমানকে সাথে নিয়ে মুস্তাইন আহমেদের বাড়িতে হামলা করে। এসময় তারা মুস্তাইন আহমেদের স্ত্রী রুমিছা খাতুনকে মারপিট করে টেনেহেঁচড়ে বাড়ির পাশে পানিতে ফেলে দেয়। এরপর এসআই মিজানুর রহমান রুমিছা খাতুনকে মারপিট করে হত্যার হুমকি দেয়। এখানেই শেষ নয়। রুমিছা বেগমের দেবর আনিচুরকে থানায় আটক রেখে ১০ হাজার টাকা ঘুষ আদায় করে দারোগা মিজান।
ওই দিনই ঘটনার ব্যাপারে ভুক্তভোগী মহিলা রুমিছা খাতুন বাঘারপাড়া থানার অফিসার ইন্চার্জকে লিখিতভাবে জানান। এরপরও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। রুমিছা খাতুন ওই দারোগা ও ঘটনায় জড়িতদের আটক দাবি করেছেন।
