http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
বাজেট করতে পাশ
সংসদ বসছে,
এই নিয়ে কেউ কেউ
অংকটা কসছে!
অংকের মারপ্যাচে
পিষে যত যন্ত্র,
বাঁচবার মন্ত্রটা
যপে গণতন্ত্র!

ঝিনাইদহে পূজা পরিষদ ও হিন্দু-বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের স্মারকলিপি
    A+ A A-

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ থেকে॥ ঝিনাইদহে হামলা, নির্যাতন, বাড়িঘর ভাংচুর, জায়গা দখল ও চাাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ সম্বলিত অভিযোগপত্র জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও র‌্যাব কমান্ডারের নিকট প্রদান করা হয়েছে। রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা পূঁজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে এ লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়। অভিযোগ পত্র পড়ে শোনান, কেন্দ্রীয় পূঁজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি এবং জেলার সাধারণ সম্পাদক ও মানবাধিকার কমিশনের জেলা সভাপতি সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস। 
এসময় জেলা প্রশাসক খাঁজা আব্দুল হান্নান, পুলিশ সুপার পঙ্কজ ভট্টাচার্য ও ঝিনাইদহ র‌্যাব-৬ এর কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার হামিদুল হক, জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নারায়ণ চন্দ্র ও সাধারণ সম্পাদক সুধির সমাদ্দারসহ সদর পৌরসভা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ, নির্যাতিত পরিবারের সদস্যরাসহ শতাধিক পরিবার উপস্থিত ছিলেন।
নির্যাতিতদের পক্ষে উপজেলা চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস বলেন, পৌরসভার স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধি ও ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় নেতার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে পৌর এলাকায় ও সদর উপজেলায় হিন্দু ও আদিবাসীদের উপর নির্যাতন চলছে। তিনি বলেন এ-ভাবে নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকলে সরকারের জনসমর্থন শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। অথচ প্রশাসনের কাছে একাধিকবার অভিযোগ করেও হিন্দু সমাজ কোন প্রতিকার পাননি বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি বলেন আমাদের পিট দেয়ালে ঠেকে গেছে। নির্যাতন বন্ধ না হলে তিনি প্রতিরোধ গড়ে তোলার ঘোষণা দেন। তিনি ধর্ষণ, খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও ঘরবাড়ি ভাংচুরসহ নির্যাতনের রেকর্ড তুলে ধরে বলেন ঝিনাইদহ শহরের চাকলা পাড়ায় আওয়ামী লীগ নেতা বাবলু জোয়ারদারের নেতৃত্বে পরেশ ও বিশু বাগদীসহ ৮টি পরিবারের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে ভিটে থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। শহরের চাকলাপাড়ার বুলু মিয়া সড়কে পারবতী রানী সরকারের বসতবাড়িও উচ্ছে করেছে ভুমি দস্যুরা। এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা দিতে গেলে ওসি ইকবাল বাহার মামলা গ্রহণ না করে নির্যাতিতদের থানা থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগ করা হয়। সদর উপজেলার লৌহাজঙ্গা গ্রামে ক্ষমতাসীন দলীয় সন্ত্রাসী অধির কুমারের ছেলে কষ্ণ কুমার একই গ্রামের একটি মেয়েকে বিয়ের জন্য জোর পূর্বক ধরে নিয়ে নির্যাতন করে। প্রতিবাদ করায় সমরেশকে পিটিয়ে গ্রাম ছাড়া করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার পঙ্কজ ভট্টাচার্য বলেন, বর্তমান সরকারের কাছে কোন সংখ্যালঘু সংখ্যাগুরু নেই, সবাই সমান। তিনি বলেন আমি হিন্দু হয়েও পুলিশ সুপার হয়েছি। সরকারের কাছে এই বাচবিচার থাকলে আমি এসপি হতাম না। তিনি হিন্দু ও আদিবাসিদের উপর যারা নির্যাতন চালাচ্ছে তাদের বিষয়ে আমি কঠোর পদক্ষেপ নেবেন বলে ঘোষনা দেন।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল -এর সকল খবর