http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
রক্ষা করতে জনগণের
জীবন এবং পণ্য,
মিছিল-মিটিং বন্ধ রবে
একটি মাসের জন্য।
গণতন্ত্রে আছে নাকি
এমন রেওয়াজ বেশতো,
জনমনে এসব কিছুর
থাকবে লেগে রেশতো!

যশোর শিক্ষাবোর্ডের পাবলিক পরীক্ষার পরীক্ষকদের সম্মানী প্রদানে অনিয়ম-স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ
    A+ A A-

কাগজ সংবাদ : যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পাবলিক পরীক্ষার ব্যবহারিক পরীক্ষকদের সম্মানী প্রদানে ব্যাপক অনিয়ম আর স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। কর্মকর্তা-কর্মচারিরা দিচ্ছি দেব করে পার করছেন বছরের পর বছর। আর শিক্ষকরা বার বার ধর্ণা দিয়েও টাকা না পেয়ে উৎসাহ হারাচ্ছেন।
শিক্ষাবোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য একজন বহিঃপরীক্ষক ও একজন আন্তঃপরীক্ষক হিসেবে পরীক্ষা কেন্দ্রের একজন শিক্ষক নিয়োগ করা হলেও বহিঃ পরীক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে শিক্ষাবোর্ডের অধীনের যে কোন একটি কলেজ থেকে। সেক্ষেত্রে এক জেলা থেকে অন্য জেলায়ও যেতে হয় বহিঃপরীক্ষকের। পরীক্ষকদের ব্যবহারিক পরীক্ষা নেয়ার পাশাপাশি খাতা মূল্যায়ণ, মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ, নম্বর ফর্দ প্রস্তুতসহ একাধিক কাজ করতে হয়। কিন্তু পরীক্ষকদের সম্মানীভাতা অত্যন্ত কম এবং তাও বছরের পর বছর আটকে রাখে বোর্ড কর্মকর্তা কর্মচারিরা। নূন্যতম এই টাকা পেতেও শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারিদের কাছে ধর্ণা দিতে হয় শিক্ষকদের। এ জন্য অনেক পরীক্ষক পরবর্তী বছরের জন্য পরীক্ষক হতে চান না।
যশোরের উপশহর এলাকার একজন কলেজ শিক্ষক জানান, ২০১০ সালে ব্যবহারিক পরীক্ষার পরীক্ষক হিসেবে বাইরের একটি জেলায় পরীক্ষা নিতে গিয়েছিলাম। এখন ২০১২ সালের ব্যবহারিক পরীক্ষা চলছে। গত দুইবছরে একাধিকবার তাগাদা দিয়েও সম্মানী ভাতা তুলতে পারিনি। অথচ একজন পরীক্ষার্থী ফরম পূরণের সময় সমস্ত টাকা পরিশোধ করে থাকে।
সাতক্ষীরার কলারোয়া এলাকার একজন শিক্ষক যশোরে এবারের এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা নিতে এসে গ্রামের কাগজকে জানান, গত কয়েক বছরের সম্মানী ভাতা পায়নি। তার পরেও দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। বোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারীরা ইচ্ছা করেই এ টাকা আটকে রাখে বলেও তিনি জানান।
এ বিষয়ে যশোর শিক্ষা বোর্ডের সহকারি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শেখ বদিউজ্জামান জানান, ২০১০ সালের সম্মানী ভাতার চেক প্রস্তুত করা হয়েছে। ২০১১ ও ২০১২ সালের সম্মানীও যাতে দ্রুত দেয়া যায় সে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।


দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল -এর সকল খবর