

আসাদ বেহেস্তী
মানুষ মারার রাজনীতিতে
নেইতো কোনো দর্শন,
কিংবা গাড়ি ভাঙ্গা এবং
গুলি-বোমা বর্ষণ।
তবু যারা মানুষ মারে
চলে মহান নীতিতে,
তাদের দলে আমিতো নেই
কোনো রকম প্রীতিতে!
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া এলাকার চাঞ্চল্যকর নিজাম উদ্দীন হত্যাকান্ডের দায়ে দু’আসামিকে আদালত কারাগারে প্রেরণ করেছে। গতকাল দুপুরে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে থাকা আসামি আপন দু’ভাই সৈয়দ হাসান ঈমাম ও সৈয়দ হোসেন ঈমাম চীফ জুডিশিয়াল আদালতে হাজির হলে বিচারক তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। তারা শহরের কাটিয়া টাউন বাজার এলাকার সৈয়দ সৈয়দুর সাকলাইনের ছেলে। আসামিরা উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করলে দু’মাসের জন্য জামিন প্রাপ্তির পর গতকাল নিন্ম আদালতে হাজির হওয়ার দিন ছিল। এছাড়াও এমামলার ধার্য দিন ছিল গতকাল।
চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারির রাতে শহরের কাটিয়া রেজিস্ট্রি পাড়ার সিরাজুল সালেকিন মাধবের ছেলে নিজাম উদ্দীনকে (২২) বন্ধুরা মর্মান্তিকভাবে গলা কেটে হত্যা করে। এরপর লাশের পেটে ও বুকে খুচিয়ে পায়ে ইট বেধে বস্তায় ভরে পার্শ্ববর্তী অলিউল ইসলাম ময়নার বাথরুমের সেফটি ট্যাংকির মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়। সকালে প্রতিবেশিরা হত্যাকাণ্ডের স্থানে পড়ে থাকা জুতা, ব্যবহৃত হাত ঘড়ি, হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত চাকু ও একটি কলম উদ্ধার করে।
রক্ত পড়ার সুত্রধরে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা আশপাশের বাগান, পুকুর ও বিভিন্ন সেফটিক ট্যাংকির মধ্যে খুঁজতে থাকে। এক পর্যায়ে বেলা ১১ টার দিকে পার্শ্ববর্তী ময়নার বাড়ির সেফটি ট্যাংকির মধ্যো থেকে পুলিশ নিজামের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে। ঘটনার পরপরই পুলিশ চারজনকে আটক করে। ওইদিন রাতে নিহতের বাবা বাদি হয়ে নয়জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করে। জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতদের দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দি মোতাবেক পর্যায় ক্রমে আরও চারজনকে আটক করা হয়। এঘটনার মূলনায়ক শাহিন এখনও পলাতক রয়েছে। গত ১৯ এপ্রিল বিচারপতি সাইমা মাসুদ চৌধুরি ও এফ আর এম নাজমুল আহসানের আদালত থেকে দু’ভাই ৮ সপ্তাহর জন্য জামিন পান। উচ্চ আদালতের নির্দেশে গতকাল নিন্ম আদালতে হাজির হলে তাদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়। এছাড়াও আসামীদের অব্যাহত হুমকির কারণে নিহতের বাবা ২৭ মে সদর থানায় ১৩০২ নং একটি জিডি করেন।

