

আসাদ বেহেস্তী
মানুষ মারার রাজনীতিতে
নেইতো কোনো দর্শন,
কিংবা গাড়ি ভাঙ্গা এবং
গুলি-বোমা বর্ষণ।
তবু যারা মানুষ মারে
চলে মহান নীতিতে,
তাদের দলে আমিতো নেই
কোনো রকম প্রীতিতে!
কাগজ সংবাদ : নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে যশোরের অভয়নগর উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানগণ তাদের এক মাসের ভাতা দেয়ার ঘোষাণা দিয়েছেন। রোববার তারা এক মতবিনিময় সভায় এ ঘোষণা দেন।
রোববার দুপুরে যশোর ৫ মণিরামপুর আসনের এমপি অ্যাডভোকেট খান টিপু সুলতানের সাথে মতবিনিময় করেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানগণ। এসময় এমপি খান টিপু সুলতান বলেন, যারা প্রকৃত দেশ প্রেমিক তারা পদ্মা সেতু নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে নতুন অধ্যয়ের সূচনা করবে। তিনিও দেশবাসীর প্রতি নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মানে সহযোগিতার হাত বাড়াতে আহবান জানান। তিনি বলেন, এ সেতু নির্মিত হলে দক্ষিণাঞ্চলের জনগনের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।
এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানগণ পদ্মা সেতুর জন্য তাদের এক মাসের ভাতা প্রদানের ঘোষণা দেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বাস রাসেল হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান তারু, লায়লা খাতুন, নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম রফিকুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা ফারুক আহমেদ প্রমুখ।
যশোর রেলওয়ের অবৈধস্থাপনা উচ্ছেদ শুরু
কাগজ সংবাদ : সোমবার থেকে যশোর রেলওয়ের জায়গায় অবৈধভাবে নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু করেছেন কর্তৃপক্ষ। প্রথম দিনে মোট ২৮টি খুপড়িঘর উচ্ছেদ করা হয়েছে। আজ বাকী স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। তবে, এলাকাবাসী এই উচ্ছেদ অভিযানের সাফল্য নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
রেলওয়ের সম্পত্তি অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে রক্ষা করতে উচ্ছেদ অভিযানের নির্দেশ দিয়েছিলেন যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এর প্রেক্ষিতে যশোর রেলওয়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে গতকাল থেকে দুইদিনব্যাপী উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। পাকশী থেকে আগত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিরণ চন্দ্র রায়ের তত্ত্বাবধানে সকাল নয়টা থেকে অভিযান শুরু হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা থেকে আগত রেলওয়ের কানুনগো আব্দুর রাজ্জাক, যশোর রেল কাচারীর আমিন আকমল হোসেন এবং যশোর স্টেশনমাস্টার।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিরণ চন্দ্র রায় জানান, তাদের কাছে নির্দেশ আছে যশোর রেলস্টেশনের পূর্বপাশের মুরগীফার্ম গেট পর্যন্ত দুইপাশের অবৈধস্থাপনা উচ্ছেদ করার। সে অনুযায়ী তারা সকালে পানিরট্যাঙ্কি এবং গেট এলাকা থেকে ২৮টি খুপরীঘর উচ্ছেদ করেছেন বলে জানান কানুনগো আব্দুর রাজ্জাক। আজ বাকী অবৈধস্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে বলে তিনি জানান।
এদিকে, উচ্ছেদ অভিযানের সাফল্য নিয়ে এলাকাবাসী সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, স¤প্রতি যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের যশোর-খুলনা সফরের সময় যশোর রেলওয়ের যেসব অবৈধস্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল তা একদিন পরেই পুনস্থাপিত হয়। রেলওয়ের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজসে দখলদাররা সেখানে ফের আস্তানা গেড়ে বসে। এবারও এর ব্যতিক্রম হবে না বলে মনে করছেন তারা।
এছাড়া, অবৈধস্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চললেও স্টেশনবাজারের ভেতর রেলওয়ের জায়গা দখল করে নির্মিত অবৈধস্থাপনাগুলো বহালতবিয়তে রয়ে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিরণ চন্দ্র রায় জানান, তাদের কাছে এ বিষয়ে কোন নির্দেশনা নেই।

