http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
আসছে বাজেট অধিবেশন
চলবে লম্বা ভাষণ,
তারই আগে জনগণে
খাবে নানান কষন,
প্রথম কষণ ব্যবসায়ীদের
কারণ ছাড়াই তারা,
দাম বাড়াবে নিত্য মালের
হিসাব-নিকাশ ছাড়া!

প্রধান বিচারপতির ব্যবস্থা নেয়া উচিত: মওদুদ
    A+ A A-

কাগজ ডেস্ক : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, স্পিকারের রুলিং দিয়ে সঠিক কাজটিই করেছেন। এখন প্রধান বিচারপতি এ বিষয়ে কার্যকর উদ্দ্যোগ নিলে কোর্টের পবিত্রতা রক্ষা হবে। তা না হলে বিশৃঙ্খলা দেখা দিবে। তবে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সেলকে শক্তিশালী করে ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। ‘নিরপেক্ষ নির্বাচন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও বাস্তবতা’ শীষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক সংসদ। এতে সভাপতিত্ব করেন সংসদের সভাপতি খালেদা ইয়াসমিন।

মওদুদ বলেন, ‘‘আদালত ও সংসদের মাঝে সৃষ্ট জটিলতা রিনসনে প্রধান বিচাপতি কি সিদ্ধান্ত নেন সে দিকে তাকিয়ে আছেন দেশবাসী। তিনি কার্যকর উদ্দ্যোগ না নিলে বিশৃঙ্খলা দেখা দিবে। বিচার বিভাগের পবিত্রতা নষ্ট হবে।’’

সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করে প্রধান বিচারপতির ব্যবস্থা নেয়া উচিত মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘‘সংসদীয় গণতন্ত্রে নিয়ম অনুযায়ী বিচারপতিদের জবাবদিহিতা সংসদের কাছে থাকা উচিত। প্রধান বিচারপিত জাতীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিবেন বলে আশা করি।’’

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায় সরকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘মাঠের নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রাখতেই আওয়ামী লীগ নিজেদের অধীনে নির্বাচন দেয়ার কথা বলছে। তা না হলে তাদের কর্মীরা মাঠ ছেড়ে পালাবে। এমন সময় আসবে যে, সংবিধান সংশোধন করে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল করবে।’’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘‘গণতন্ত্র রক্ষা করা না গেলে দেশ দুর্বল হয়ে পরবে। দেশ দুর্বল হলে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা যাবে না। দেশের মধ্যেই যদি একটি অংশ জাতীয় স্বার্থ বিরোধী থাকে তা হলে তা রক্ষা করা আরো কঠিন হবে।’’

মওদুদ বলেন, “সরকারের একগুঁয়েমির কারণে গণতন্ত্র ব্যর্থ হলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে আওয়ামী লীগই। সব শেষ সরকার হিসেবে তাদের দুর্নীতি ও অপকর্মের কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষোভ তাদের ওপরই বেশি থাকবে।’’

‘‘রাজনীতিতে যে কোনো মুহূর্তে যে কোনো ধরণের পরিবর্তন আসতে পারে। ক্ষমতা ছাড়ার এক দিন আগেও আবার ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখে সবাই। কিন্তু পরে দেখেন তারা ক্ষমতায় নেই। ততক্ষণে অনেক ক্ষতি হয়ে যায়।’’

প্রস্তাবিত বাজেটের সমালোচনা করে মওদুদ বলেন, ‘‘এ বাজেট নিম্নমুখী ও সংকোচনশীল। এটি অর্থনীতিকে বিকশিত করবে না। সরকারের সাড়ে তিন বছরে দুর্নীতি মাধ্যমে অর্জিত কালো টাকা সাদা করতেই এই বাজেট দিয়েছে। নয়টি নতুন ব্যাংকে তিন হাজার ৬০০ কোটি সাদা টাকা লাগবে। এ জন্যই বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হয়েছে।’’

উন্মুক্ত ভাবে কালো টাকা সাদা করার সুযোগের নিন্দা করে আগামী ২৮ জুনের মধ্যে বাজেটে এ সুযোগ প্রত্যাহার কারার দাবি জানান তিনি।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির সহ-সভাপতি সেলিমা রহমান, অধ্যাপক ড. মাহবুবু উল্লাহ, এলডিপি নেতা শাহাদৎ হোসেন সেলিম, মঞ্জুর হোসেন প্রমুখ।