


আসাদ বেহেস্তী
দু’সাংবাদিক হত্যা হলো
মিলছেনা এর জবাবটা,
হত্যা করেই যায়না বদল
সাংবাদিকের স্বভাবটা।
সাংবাদিকের কাজটা কঠিন
বিপদ ঘটে চতুর্দিক,
আনেই তুলে আসল খবর
কোনটা গরল কোনটা ঠিক !
খুলনা ব্যুরো : খুলনা মহানগরী এলাকায় শান্তি-শৃংখলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যে কেএমপি অধ্যাদেশ-১৮৫ এর ৩০ ধারার ক্ষমতাবলে আজ সোমবার ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সকল প্রকার সভা, সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এসময়ের মধ্যে সকল প্রকার ছড়ি বা লাঠি, বিস্ফোরক দ্রব্য ও আগ্নেয়াস্ত্র বহন করা যাবেনা বলে রোববার কেএমপির এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এ অধ্যাদেশ জারীর পাশাপাশি গোটা নগর জুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা গ্রহণ করেছে পুলিশ। পুলিশ শনিবার দিনগত রাতে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বিএনপির পাঁচ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। এসময় শতাধিক নেতাকর্মীর বাসভবনে তল্লাশী চালানো হয়েছে বলে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের বিশেষ শাখার সহকারী কমিশনার টিএম মোশাররফ হোসেন জানান, নগরীতে যাতে মিছিলের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় এ জন্য কেএমপি অধ্যাদেশ-১৮৫ এর ৩০ ধারা জারি করা হয়েছে। নগরীতে নেয়া হয়েছে ব্যাপক পুলিশী নিরাপত্তা। কেএমপি অধ্যাদেশ জারী থাকায় মানুষের মনে ব্যাপক উদ্বেগ উৎকন্ঠা দেখা দিয়েছে। এদিকে গত শনিবার রাত থেকেই বিএনপি ও চারদলীয় জোটের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতারে পুলিশ নগরীতে অভিযান চালায়। এ পর্যন্ত নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি নেতা জামালউদ্দিন মোড়ল, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আব্দুল হাই কালু, ৯নম্বর ওযার্ড বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রউফ, খালিশপুর থানা তাতীদলের সাধারণ সম্পাদক বারেক হাওলাদার ও সাবেক ছাত্রনেতা মাহফিজুর রহমান মাজুকে গ্রেফতার করেছে। এসময় শত শত নেতা-কর্মীর বাড়ি গিয়ে গ্রেফতার অভিযান চালানো হয়েছে বলে দলীয় সুত্র জানিয়েছে।
এব্যাপারে কেএমপি কমিশনার মোঃ সফিকুর রহমান বলেন, সোমবার নগরীর বিভিন্ন স্থানে যুবলীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ একাধিক সংগঠন কর্মসুচি দেয়ায় সংঘর্ষ ও নাশকতার আশংকায় নগরীতে সকল সভা, সমাবেশ, মিছিল- মিটিং নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকবে।
