http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
ফের এসেছে হরতাল ভাই
তাই পেছালো কাজ,
এটা ছাড়া নেই হাতিয়ার
তাইতো লাগে লাজ!
গণতন্ত্রের অনেক ভাষা
অনেক হাতিয়ার,
আসুন সবাই নতুন ভাবি
দেশ করি উদ্ধার।

মহম্মদপুরে দরিদ্রের দু’টি ঘর আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে প্রতিপক্ষ
    A+ A A-

এস আর এ হান্নান, মহম্মদপুর (মাগুরা) ব্যুরো : মাগুরার মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের চিত্তবিশ্রাম গ্রামে বৃহস্পতিবার দুপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের লোকজন কওছার মোল্যা নামে এক দরিদ্রের দু’টি ঘর আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সামছু দ্দৌজা ও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ছগির মিঞা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। 
সরেজমিনে জানা গেছে, উপজেলার চিত্তবিশ্রাম গ্রামের মৃত পাঁচু মোল্যার ছেলে কওছার মোল্যার বাড়ির পার্শ্বের একখন্ড জমি নিয়ে প্রতিবেশি মৃত জলিল মোল্যার ছেলে সেনাবাহিনীতে চাকরিরত শহিদুল ইসলামের সাথে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। শহিদুল ইসলামের বাড়িতে প্রবেশ পথে রয়েছে কওছার মোল্যার জমি। যে জমিতে এবার তিনি পাট চাষ করছেন। জমির একাংশ নিয়ে বিভিন্ন সময় থানায় ও ইউনিয়ন পরিষদে সালিশি বৈঠক হলেও সুরাহা না হওয়ায় বিরোধ অব্যাহত থাকে। এরই মধ্যে ওই জমি ক্রয়-বিক্রয় হলেও আদালতে মামলা হয়। বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার গাড়ি চালক চিত্তবিশ্রাম গ্রামের বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম এলাকায় র‌্যাব সদস্য এনে ভীতি সৃষ্টি করে এবং তাদের উপস্থিতিতেই কওছার মোল্যার পাট ক্ষেতের ভেতর দিয়ে রাস্তা তৈরির কাজ করে। বাধা দেয়ায় শহিদুল ইসলামের লোকজন দরিদ্র কওছার মোল্যার দু’টি ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়। এ সময় গোয়াল ঘরের পার্শ্বের মুরগির ঘরে আগুন লাগলে কয়েকটি মুরগি জীবস্ত দ্বগ্ধ হয়।
এলাকাবাসী জানান, এ নিয়ে তিনবার র‌্যাব সদস্য এনে শহিদুল গ্রামের নীরিহ মানুষদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। এ অবস্থায় শহিদুল ইসলাম এলাকায় মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে এলাকাবাসী জানায়।
এ বিষয়ে জানার জন্য শহিদুল ইসলামের ব্যবহৃত ০১৭২২-২৪৯১৬৪ নম্বর মোবাইলে ফোন করলে লিটন নামে এক ব্যক্তি ফোন রিসিভ করেন। তবে তার পরিবারের এক সদস্য জানান, ওই জমি ইতোমধ্যে তিনি ক্রয় করেছেন এবং কেনা জমির ভেতর দিয়েই রাস্তা নির্মাণের কাজ চলছিলো। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কিভাবে র‌্যাব আনা হয়েছিলো সেটি তিনি জানেন না।