http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
ফের এসেছে হরতাল ভাই
তাই পেছালো কাজ,
এটা ছাড়া নেই হাতিয়ার
তাইতো লাগে লাজ!
গণতন্ত্রের অনেক ভাষা
অনেক হাতিয়ার,
আসুন সবাই নতুন ভাবি
দেশ করি উদ্ধার।

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় চির নিদ্রায় সমাহিত হলেন সাতক্ষীরার সাংবাদিক রিকু সুলতান
    A+ A A-

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : সকলকে কাঁদিয়ে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে সোমবার পারিবারিক কবরস্থানে চির নিদ্রায় শায়িত হলেন কলারোয়ার সাংবাদিক রিকু সুলতান (৩০)। গত রোবরার দুপুরে সাংবাদিক রিকু সুলতান নিজ বাড়িতে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহে.....রাজেউন)। ৭ ভাই ও দু’বোনের মধ্যে সবার শেষে আসা মানুষটি চলে গেলেন সবার আগে। উপজেলার কাদপুর গ্রামের ছায়াসুনিবিড় পরিবেশে নব নির্মিত পারিবারিক কবরস্থানে তিনি প্রথম সমাহিত হলেন। 
সাংবাদিক রিকু সুলতান যে কত জনপ্রিয় ছিলেন তা তার নিজ গ্রাম কাদপুরে উপস্থিত হওয়া শত শত মানুষের ঢল দেখে সহজেই ধারণা করা যায়। তার একমাত্র সন্তান আকাশের (১৪) গগণবিদারি কান্না দিগন্তে যেন প্রতিধ্বনিত হচ্ছিলো বারবার। অষ্টম শ্রেণীতে পড়–য়া আকাশকে সান্ত্বনা দিতে যাওয়া লোকজন নিজেরাই চোখের জলে বুক ভাসাচ্ছিলেন। রিকু সুলতান প্রায় এক দশক ধরে এই জনপদে সাংবাদিকতা করে গেছেন। তিনি মানুষের-এলাকার সমস্যা, সম্ভাবনা, সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের কথা ভাবতেন। তা তার লেখায় প্রকাশ পেত বারবার। জীবনের শেষ দিনগুলোতে সাংবাদিকতায় কিছুটা তার শিথিলতা দেখা দেয়। ব্যক্তি ও পরিবার জীবনের নানা অপূর্ণতা তাকে প্রতিনিয়ত ভাবিয়ে তুুুলতে থাকে। স¤প্রতি তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বিদেশ যাবার। এজন্য সবকিছু ঠিক হয়ে গিয়েছিলো। আগামীকাল ১৮ জুলাই ছিলো তার মালয়েশিয়া যাবার ফ্লাইট। এজন্য শেষ মুহূর্তের গোছগাছ ও নানা প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছিলেন তিনি। দু’একদিনের মধ্যেই তাকে বিদেশে পাড়ি জমাতে হতো। কিন্তু বাস্তবে তা আর হলো না। তাকে চলে যেতে হলো একবারে না ফেরার দেশে। গতকাল বেলা ১১ টায় কাদপুর গ্রামের বাড়ির আঙিনায় নামাজে জানাজা শেষে মরহুমের দাফন সম্পন্ন হয়।