

আসাদ বেহেস্তী
বাজেট করতে পাশ
সংসদ বসছে,
এই নিয়ে কেউ কেউ
অংকটা কসছে!
অংকের মারপ্যাচে
পিষে যত যন্ত্র,
বাঁচবার মন্ত্রটা
যপে গণতন্ত্র!
মিজানুর রহমান চুড়ামনকাটি (যশোর) থেকে : যশোর সদর উপজেলার হৈবতপুরের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের মামুন হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে নিশ্চিন্তপুর গ্রামবাসী সোমবার সকালে যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, নিশ্চিন্তপুরের পার্শ্ববর্তী কাদিরপাড়া গ্রামের নওয়াব আলী, রনি, শাহাজাহান ও মুরাদগড়ের ইকবাল হোসেন এলাকায় বহুবিধ অপকর্ম করে বেড়ায়। এদের মধ্যে নওয়াব আলীর বারীনগর বাজারে একটি মাইক ও ডেকোরেটরের দোকান আছে। বছর খানেক আগে থেকে ওই দোকানে মাইক অপারেটর হিসাবে যোগদান করেন নিশ্চিন্তপুরের মুক্তার হোসেনের ছেলে মামুন হোসেন। লেনদেনের সূত্র ধরে ২৯ জুন রাতে দোকান মালিক নওয়াব আলী ও একই গ্রামের রনি কথা আছে বলে মামুনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তারা মামুনকে নওয়াব আলীর বাড়িতে নিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে খুন করার উদ্দেশ্যে নওয়াব আলী, রনি, আলতাফ, বাশির, তহিদুল, দলুসহ অজ্ঞাত কয়েকজন লোহার রড ও বাঁশের লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে। এতে সে রক্তাক্ত জখম হয়। তারা মামুনের বুকে পেরেক ঠুকে মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে ফেলে রেখে যায়। এ সময় তার চিৎকারে গ্রামবাসী তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করে। এসময় দুর্বৃত্তরা তাদের উপর চড়াও হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পুলিশকে সংবাদ দেয় এলাকাবাসী। পুলিশ মামুনকে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় উদ্ধার এবং যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। ৫ দিন পর ৪ জুলাই সে মারা যায়।
স্মারকলিপিতে আরো উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দীর্ঘদিন পার হওয়ার পরও মামলার তদন্তকারী অফিসার এস আই শফিকুল ইসলাম অদ্যাবধি এজাহারভুক্ত কোন আসামি গ্রেফতার করতে পারেননি। আসামিরা নিহতের পরিবারকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে।
স্মারকলিপি দেয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন আব্দুল হামিদ, সাইফুল ইসলাম, সাজিয়ালী গ্রামের আব্দুস সাত্তার কিনে প্রমুখ।
