

আসাদ বেহেস্তী
বাজেট করতে পাশ
সংসদ বসছে,
এই নিয়ে কেউ কেউ
অংকটা কসছে!
অংকের মারপ্যাচে
পিষে যত যন্ত্র,
বাঁচবার মন্ত্রটা
যপে গণতন্ত্র!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে পরমাণু কর্মসূচী নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করতে রাজি হয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার ইরান ও ইইউ এর শীর্ষ মধ্যস্থতাকারীরা আলোচনা পুনরায় শুরু করার ব্যাপারে একমত হন।
যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য- এই ছয় বিশ্ব শক্তির প্রতিনিধি হিসেবে ইরানের সঙ্গে মধ্যস্থতার দায়িত্ব পালন করেন ইইউ এর পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান ক্যাথেরিন অ্যাস্টন।
চলমান কঠোর অর্থনৈতিক অবরোধ ও কূটনীতিক চাপের মধ্যেই ইরানকে পরমাণু প্রকল্পের পরিসর ছোট করার পরামর্শ দিয়েছেন অ্যাস্টন।
এপ্রিলে এ বিষয়ে দু’পক্ষের মধ্যে তিন তিনবার আলোচনা হলেও তাতে চলমান অচলাবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। আলোচনা ভেঙে গেলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন একটি যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়তে পারে আশঙ্কায় কোনো পক্ষই আলোচনা ছেড়ে সরে আসেনি।
ছয় বিশ্ব শক্তির সঙ্গে ইরানের সরাসরি আলোচনার মাধ্যমেই পরিস্থিতি নতুন কোনো দিকে মোড় নিতে পারে। কিন্তু গত জুন থেকে কূটনীতিক অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার পর থেকে নতুন আলোচনা কখন, কোথায় অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
বৃহস্পতিবার ইরানের শীর্ষ মধ্যস্থতাকারী সায়িদ জলিলি’র সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার পর এক বিবৃতিতে অ্যাস্টন বলেন, “আমি কূটনৈতিক পথে ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে সৃষ্ট আন্তর্জাতিক উদ্বেগ নিরসনের চেষ্টা করছি। উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনায় আস্থা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে একমত হয়েছে ইরান। চলতি মাসের শেষে আলোচনা পুনরায় শুরু করতে আমার দেওয়া প্রস্তাবে সম্মত হয়েছেন ড. জলিলি।”
জুনে মস্কো বৈঠক থেকে কূটনীতিক আলোচনায় অচলাবস্থা তৈরি হয়। তবে দু’পক্ষের বিশেষজ্ঞদের মধ্যে পরমাণু প্রকল্পের প্রযুক্তিগত দিক নিয়ে আলোচনা অব্যাহত ছিল। প্রযুক্তিগত আলোচনার ফলাফলও আশাবাদী হওয়ার মতো নয় বলে জানিয়েছেন পশ্চিমা কূটনীতিকরা।
পরমাণু প্রকল্পের আড়ালে ইরান পরমাণু বোমা তৈরির চেষ্টা করছে বলে শঙ্কিত পশ্চিমা শক্তিগুলো ও ইসরায়েলসহ তাদের মধ্যপ্রাচ্য মিত্ররা। অপরদিকে ইরানের দাবি তাদের পরমাণু কর্মসূচী সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ উদ্দেশে নিয়োজিত।
পরমাণু কর্মসূচী বাধাগ্রস্থ করতে ইরানের ওপর কঠোর বাণিজ্যিক ও অন্যান্য অবরোধ আরোপ করেছে পশ্চিমা শক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ।
