

আসাদ বেহেস্তী
বাজেট করতে পাশ
সংসদ বসছে,
এই নিয়ে কেউ কেউ
অংকটা কসছে!
অংকের মারপ্যাচে
পিষে যত যন্ত্র,
বাঁচবার মন্ত্রটা
যপে গণতন্ত্র!
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পাকিস্তানের করাচি শহরে একটি গার্মেন্টস কারখানায় মঙ্গলবার রাতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৯০ ছাড়িয়েছে। এর আগে দেশটির লাহোর শহরে একটি জুতা তৈরির কারখানায় আগুন লেগে ২৫ জানেরও বেশি লোক নিহত হয়।
দু’টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বহু শ্রমিক আহত হয়েছেন।অগ্নিকাণ্ডের পর ধোয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে, শ্বাসরুদ্ধ হয়ে এবং ভবন থেকে লাফ দিতে গিয়ে হতাহতের এসব ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে করাচি পুলিশের প্রধান ইকবাল মাহমুদ ও কারখানা সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় মিডিয়া জানায়, রাতভর প্রচেষ্টার পর ফায়ার সার্ভিসের ৪০টি গাড়ি আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।অগ্নিকাণ্ডের সময় কারখানায় ৪৫০ জন কর্মী ছিলেন।
আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি।
ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র কর্মকর্তা এহতেশাম উদ্দিন আল জাজিরাকে জানান, অধিকাংশ শ্রমিক নিহত হয়েছেন দম বন্ধ হয়ে। কারখায় নিচ তলায় আসার পর পর্যাপ্ত বর্হিগমন না থাকায় সেখানেই তারা মারা যায়। শ্রমিকদের বের হওয়ার নিয়মিত দরজাগুলো এই সময় বন্ধ ছিলো বলে জানান তিনি।
কয়েকজন শ্রমিক সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছেন, গার্মেন্টস ভবনের নিচ তলাসহ সবগুলো তলার জানালার বাইরে গ্রিল থাকায় কোনো শ্রমিকই জানালা দিয়ে বের হতে পারেনি। গর্মেন্টস মালিকরা শ্রমিকদের জীবনের মূল্যের চেয়ে গার্মেন্টসের জানালার নিরাপত্তা নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন বলেও অভিযোগ করেন সরওয়ার নামের ওই শ্রমিক।
এর আগে গতকাল সকালেই দেশটির লাহোর শহরে একটি জুতার কারখানায় আগুনে পুড়ে ২৩ জন নিহত হন।এরপরই বিকেলে করাচির গার্মেন্টসে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যা পাকিস্তানে গত ১০ বছরে অগ্নিকাণ্ডে সবচেয়ে বড় হতাহতের ঘটনা।
