

আসাদ বেহেস্তী
বাজেট করতে পাশ
সংসদ বসছে,
এই নিয়ে কেউ কেউ
অংকটা কসছে!
অংকের মারপ্যাচে
পিষে যত যন্ত্র,
বাঁচবার মন্ত্রটা
যপে গণতন্ত্র!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পরমাণু বিপর্যয়ের ঝুঁকি এড়াতে শনিবার সর্বশেষ সক্রিয় পরমাণু চুল্লিটিও বন্ধের কাজ শুরু করেছে জাপান।
এর মধ্য দিয়ে চার দশকের বেশি সময় ধরে জ্বালানি উৎস হিসেবে পরমাণু শক্তি ব্যবহারকারী দেশটি পুরোপুরি পরমাণু বিদ্যুৎ মুক্ত হচ্ছে।
সত্তরের দশক থেকে পরমাণু শক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে ছিল এশিয়ার শিল্পোন্নত দেশ জাপান। গত বছরও দেশটির মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ৩০ শতাংশ এসেছিল পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে।
২০১১ সালের মার্চে আট দশমিক নয় মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প ও তার প্রভাবে সৃষ্ট সুনামিতে ক্ষতিগ্রস্ত ফুকুশিমা পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিপর্যয় দেখা দেয়। তখন থেকে দেশটিতে পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়।
জনগণের সে ডাকে সাড়া দিয়ে পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ করা শুরু করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরমাণু বোমার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত জাপান।
হোক্কাইদো ইলেকট্রিক পাওয়ার কর্পোরেশন স্থানীয় সময় শনিবার ভোর রাত ৪টায় তাদের সর্বশেষ সক্রিয় পরমাণু চুল্লির কার্যক্রম কমিয়ে আনতে শুরু করেছে। রোববার ভোর রাতে টোমারি পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের এ চুল্লির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হবে বলে তারা জানিয়েছে।
হোক্কাইদোর এ কেন্দ্রটি বন্ধের মধ্য দিয়ে জাপানের ৫০টি পরমাণু চুল্লির সবগুলোই বন্ধ হচ্ছে।
চার দশক পর জাপানের পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র মুক্ত হওয়া উপলক্ষে এদিন রাজধানী টোকিওতে কয়েক হাজার মানুষ আনন্দ মিছিল করেছে।
