

আসাদ বেহেস্তী
বাজেট করতে পাশ
সংসদ বসছে,
এই নিয়ে কেউ কেউ
অংকটা কসছে!
অংকের মারপ্যাচে
পিষে যত যন্ত্র,
বাঁচবার মন্ত্রটা
যপে গণতন্ত্র!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জাপানের ফুজি পর্বতের নিচের ভূত্বকে এমন একটি ত্রুটি রয়েছে যা একটু সরে গেলে পর্বতটি অকস্মাৎ ধসে পড়তে পারে। দেশটির সরকারি পৃষ্ঠপোশকতায় পরিচালিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমন আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে।
রাজধানী টোকিও থেকে প্রায় একশ’ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত ফুজি পর্বতকে জাপানের প্রতীক বলে বিবেচনা করা হয়। জনপ্রিয় পর্যটন এলাকাও এটি। এ পবর্তটি দেখতে সারা বিশ্ব থেকে প্রতিবছর শত শত পর্যটক আসে।
টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ দল তিন বছর গবেষণা চালিয়ে ফুজির নিচে একটি ত্রুটি আবিষ্কার করেছে। এই ত্রুটির জন্য পর্বতটি অস্তিত্ব হুমকির মুখে রয়েছে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন গবেষকরা।
জাপানের বিজ্ঞান মন্ত্রণালয়ের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ বিষয়ের পরিচালক ইয়াসুহিরো ইয়োশিদা এ ব্যাপারে বলেন, ‘ফুজি পর্বতটির কিছু অংশ ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর ধসে পড়লে প্রশান্তমহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত গোতেমবা শহরের দিকে কাদাপানির ঢল প্রবাহিত হবে।’
ফুজির কাছে কৃত্রিমভাবে ভূমিকম্প তরঙ্গ তৈরি করে গবেষকরা দেখেছেন, তাত্ত্বিকভাবে, পর্বতের নিচের ত্রুটিটি একটু সরে গেলে রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প সৃষ্টি হওয়া সম্ভব।
গবেষক দলটির ধারণা, গত ১০ লাখ বছরের মধ্যে ত্রুটিটি কিছুটা সরে গেছে। তবে ঠিক কখন এ স্থানান্তর ঘটেছে তা তারা নির্ধারণ করতে পারেননি।
ইয়োশিদো বলছেন, স্থানীয় ভূপ্রকৃতি দেখে মনে হয় প্রায় তিন হাজার বছর আগে ফুজির ভূমিধস হয়েছিল। তবে শক্তিশালী অগ্ন্যুৎপাতের দ্বারা ত্রুটিটি কীভাবে এবং কতোটা প্রভাবিত হয়ে থাকতে পারে এ ব্যাপারে আরো গবেষণার প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন তিনি।
ফুজি পর্বতের চারপাশে অগ্ন্যুৎপাতের মাধ্যমে সৃষ্ট অনেকগুলি গর্ত রয়েছে। এগুলো অবশ্য এর সৌন্দর্যের প্রধান অংশ। এ পর্বতে খুব ঘন ঘন ভূমিকম্প হতো এবং এখানের ভূত্বকে অসংখ্য ত্রুটিও রয়েছে।
উল্লেখ্য, জাপান পৃথিবীর মধ্যে ভূমিকম্প প্রবণ এলাকাগুলোর মধ্যে অন্যতম। গত মার্চে এদেশে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প এবং পরে সুনামি হয়। এতে প্রাণহানি ঘটে ১৯ হাজার মানুষের। এ সময় ফুকুশিমা পারমাণবিক চুল্লি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ভয়াবহ পরমাণু বিপর্যয় সৃষ্টি হয়।
