http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
মানুষ মারার রাজনীতিতে
নেইতো কোনো দর্শন,
কিংবা গাড়ি ভাঙ্গা এবং
গুলি-বোমা বর্ষণ।
তবু যারা মানুষ মারে
চলে মহান নীতিতে,
তাদের দলে আমিতো নেই
কোনো রকম প্রীতিতে!

সেনা অভিযানে নয়, লাদেনের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে: সিআইএ
    A+ A A-

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আমেরিকান কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা -সিআইএ’র এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অনেক আগেই ওসামা বিন লাদেনের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।
তিনি জানিয়েছেন, গত বছরের ২ মে পাকিস্তানের সেনা শহর অ্যাবোটাবাদে বিন লাদেন মারা গেছেন বলে আমেরিকা ঘোষণা দেয়ার পাঁচ বছর আগে তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়।
রাশিয়ার চ্যানেল ওয়ান টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বারকান ইয়াশার নামে সিআইএ’র ওই কর্মকর্তা এসব কথা জানিয়েছেন। বারকান ইয়াশার নিজে একজন তুর্কি রাজনীতিবিদ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় দাবি করেন, আমেরিকান সেনা অভিযানে বিন লাদেন নিহত হননি।
ইয়াশার জানান, ১৯৯২ সালে চেচনিয়ায় তিনি লাদেনের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাত করেন। সে সাক্ষাত হয়েছিল গ্রোজনির একটি দোতলা ভবনের নিচ তলায়। ওই ভবনের দোতলায় বাস করত জর্জিয়ার প্রেসিডেন্ট গামসাখুরদিয়ার পরিবার। তখন গামসাখুরদিয়া দেশ থেকে বহিষ্কৃত হন। সে সময় এই ভবনেই বাস করতেন লাদেন।
সিআইএ’র সাবেক গোয়েন্দা ইয়াশার জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে লাদেনের তিন চেচেন দেহরক্ষীকে চিনতেন। তিনি আরো জানান, বিন লাদেন ২০০৬ সালের ২৬ জুন নিহত হয়েছেন এবং তার দেহরক্ষীরা এ ঘটনার সাক্ষী।
তিনি বলেন, “সমস্ত পৃথিবী বিশ্বাস করলেও আমি বিশ্বাস করব না যে, বিন লাদেন অ্যাবোটাবাদে নিহত হয়েছেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে লাদেনের চেচেন দেহরক্ষী সামি, মাহমুদ এবং আইয়ুবকে চিনি এবং তারা লাদেনকে তার জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত রক্ষার কাজে নিয়োজিত ছিলেন।”
সিআইএ’র গোয়েন্দা ইয়াশার জানান, বিন লাদেনের শেষ ইচ্ছে অনুযায়ী তিন চেচেন দেহরক্ষী পাক-আফগান সীমান্তের পার্বত্য এলাকায় তাকে দাফন করেন।
গত বছর লাদেনের মৃত্যুর ঘোষণার আগে তার সাবেক দেহরক্ষী সামিকে সিআইএ অপহরণ করে। এই সামিই লাদেনের কবরস্থান সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানান এবং তার তথ্যের ভিত্তিতে সিআইএ’র গোয়েন্দারা লাদেনের দেহ কবর থেকে তুলে আনে। পরে তারা বিন লাদেনের হত্যার কাহিনী প্রচার করে।
ইয়াসার দাবি, এ ঘটনার মাধ্যমে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তার দেশের জনগণকে এটা বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, তাদের ট্যাক্সের অর্থ বিনা কারণে খরচ করা হচ্ছে না। মূলত আমেরিকান প্রশাসন এ ঘটনাকে তাদের জন্য বিরাট বিজয় বলে দেখাতে চেয়েছে। সূত্র: আইআরবি, প্রেসটিভি