http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
বাজেট করতে পাশ
সংসদ বসছে,
এই নিয়ে কেউ কেউ
অংকটা কসছে!
অংকের মারপ্যাচে
পিষে যত যন্ত্র,
বাঁচবার মন্ত্রটা
যপে গণতন্ত্র!

৫ দিনেও উদ্ধার হয়নি মেঘনায় ডুবে যাওয়া কার্গো
    A+ A A-

কাগজ ডেস্ক : মেঘনা জুড়ে তেল ভাসলেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা ডুবে যাওয়া কার্গো। নোঙর ছুটে যাওয়ায় হারিয়ে যাওয়া কার্গোর সন্ধান মেলেœি গতকাল রোববার বিকেল পর্যন্ত। এখনও বিআইডবি¬উটিএ’র একাধিক জাহাজ তন্ন তন্ন করে খুজছে কার্গোটিকে। উদ্ধার কাজে বিআইডবি¬উটিএ নৌবাহিনী ও কোষ্টগার্ডের মধ্যে সমন¦য়হীনতা বিরাজ করছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধার তৎপরতা। পাশাপাশি পানির গভীরতা আর তীব্র স্রোতে ডুবে যাওয়া কার্গোটি উদ্ধার সম্ভব নয় বলে জানান একাধিক উদ্ধারকর্মী। এদিকে ঘটনাস্থল জুড়ে এখনও ভাসছে জ্বালানী তেল। ফলে বড় ধরনের পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে উৎকণ্ঠা উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন মহলের মাঝে। বুধবার সন্ধ্যার পর একটি পন্যবাহি জাহাজের দাক্কায় মেহেন্দিগঞ্জের মেঘনায় ওটি মেহেরজান নামের একটি কার্গো ডুবে যায়।
বিআইডব্লিউটিএর সার্ভে জাহাজ সন্ধানী শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় কার্গোটি সনাক্ত করে। নৌবাহিনী সহ বিভিন্ন সংস্থার ডুবুরীরা কার্গোটি নোঙর করতে সক্ষম হয়। শনিবার রাতে মাছ ধরা নৌকার ধাক্কায় ছুটে যায় নোঙর। এরপর থেকে বিআইডব্লিউটিএ’র ৪ টি জাহাজ সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও গতকাল বিকেল পর্যন্ত খুজে পায় নি ডুবে যাওয়া কার্গোটি। এ ৪ টি জাহাজের পাশাপাশি উদ্ধার কাজে রয়েছে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা-রুস্তুম ও সার্ভে জাহাজ কপোত। ঘটনাস্থলে বিআইডব্লিউটিএ’র পরিচালক (নৌ সংরক্ষন ও পরিচালন) মোঃ এমমাদুল হক, উপ সচিব (প্রশাসন) আরিফ উদ্দিন সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অবস্থান করছেন। বিআইডব্লিউটিএ’র পাশাপাশি উদ্ধার কাজে সহায়তা করতে ঘটনাস্থলে রয়েছে নৌ বাহিনী ও কোস্টগার্ডের ২টি টিম।
উদ্ধার কাজে নিয়োজিত ৩ টি সংস্থার মধ্যে সমন¦য় নেই বলে দাবি বিআইডব্লিউটিএ’র। সংস্থার উপ-সচিব এবং উদ্ধার কাজে সমন¦য়কারী আরিফ উদ্দিন এ অভিযোগ করে বলেন নদীতে প্রচুর পরিমান মাছ ধরা জাল থাকায় উদ্ধার কাজ মারাÍক ভাবে ব্যহত হচ্ছে। কোস্টগার্ড সংশ্লিস্ট এলাকার নদী পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করলে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা সহজ হতো। একই ভাবে তার অভিযোগ নৌ বাহিনীর কর্মকান্ড নিয়েও। তিনি বলেন সনাক্ত করা জাহাজটির নোঙর ছিড়ে গেলেও নৌ বাহিনীর ডুবুরী ঘটনাস্থলে আসেন দুপুরে। অথচ তাদের আসার কথা ছিলো সকাল ৬ টায়।
এদিকে ডুবে যাওয়া স্থান ও আশপাশের এলাকায় এখনও জ্বালানী তেল ভাসছে। পুরো এলাকার বাতাসে ছড়িয়ে যাচ্ছে তেলের ঝাজালো গন্ধ। এ অবস্থায় ৫দিনে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ লিটার জ্বালানী তেল বোঝাই কার্গোটি উদ্ধার না হওয়ায় বিভিন্ন মহলে শুরু হয়েছে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা। কারন কার্গো থেকে পুরো তেল নির্গত হলে মেঘনা থেকে শুরু করে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পরিবেশ বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে। অপর দিকে উদ্ধার অভিযান নিয়ে এবং কার্গো উদ্ধারে সফলতায় শঙ্কা প্রকাশ করছেন অনেকেই। সনাক্ত হওয়া কার্গোর নোঙর ছিড়ে যাওয়া এবং দিনভর চেষ্টা চালিয়েও খুজে না পাওয়ায় এর উৎকণ্ঠা আরো বাড়ছে। ঘটনাস্তলে থাকা একাধিক উদ্ধারকর্মী নাম প্রকাশ না সত্ত্বে বলেন প্রায় দেড়শ ফুট পানির গভীরতায় তীব্র এ স্রোতে কার্গোটি উদ্ধার সম্ভব নয়। তাদের মতে অচিরেই ব্যর্থ এ অভিযানের সমাপ্তি ঘটবে।

হট নিউজ -এর সকল খবর