

আসাদ বেহেস্তী
মানুষ মারার রাজনীতিতে
নেইতো কোনো দর্শন,
কিংবা গাড়ি ভাঙ্গা এবং
গুলি-বোমা বর্ষণ।
তবু যারা মানুষ মারে
চলে মহান নীতিতে,
তাদের দলে আমিতো নেই
কোনো রকম প্রীতিতে!
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সাড়া জাগানো ওয়েবসাইট উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসেঞ্জকে ইকুয়েডরের রাজনৈতিক আশ্রয় দেবার ঘোষণায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে বৃটেন এবং সুইডেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগ বলেছেন, অ্যাসেঞ্জকে নিরাপদে ইকুয়েডর যাবার জন্য পথ তৈরি করে দেবার কোনো আইনগত ভিত্তি থাকতে পারে না। অন্যদিকে সুইডেনের সরকার ইকুয়েডরের এই সিদ্ধান্তকে অগ্রহণযোগ্য বলে বর্ণনা করেছে।
বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগ বলেন, “জুলিয়ান অ্যাসেঞ্জকে ইকুয়েডর যে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়ার কথা ঘোষণা করেছে তাতে তারা হতাশ হয়েছেন।” ইকুয়েডরের এই সিদ্ধান্তে বৃটেনের অবস্থানের মৌলিক কোনো পরিবর্তন হবে না বলেও হেগ জানান।
তিনি বলেন, “তাকে ফিরিয়ে দিতে আইনগতভাবে বৃটেনের যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে সেটি তাদের অবশ্যই পালন করতে হবে।বৃটেনের আইন অনুযায়ি অ্যাসেঞ্জের আর আপিল করার কোনো সুযোগ নেই।এখন তাকে সুইডেনের কাছে হস্তান্তরের জন্য বৃটেনের আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে।”
বৃটেন অবশ্যই সেটি পালন করবে বলে হেগ উল্লেখ করেন।
গত জুনে অ্যাসেঞ্জ তার সুইডেন প্রত্যার্পণ এড়ানোর জন্য লন্ডনে একুয়েডর দূতাবাসে আম্রয় নেন। সুইডেনে যৌন হয়রানির এক মামলায় অ্যাসেঞ্জের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি প্ররোয়ানা জারি রয়েছে, এবং বৃটেন ও সুইডেনের মধ্যে বন্দি প্রত্যর্পণের চুক্তি রয়েছে।
বুধবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ইকুয়েডরকে বৃটেনের হুমকি সংক্রান্ত খবর প্রসঙ্গে বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ইকুয়েডরের দূতাবাসে ঢুকে অভিযান চালানোর জন্য কোনো হুমকি তারা দেননি। এক্ষেত্রে বৃটেনের যে আইন রয়েছে সেটি আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সঙ্গতি বজায় রেখেই প্রয়োগ করতে হবে।তবে পরিস্থিতি যাই হোক না কেন এ্যাসেঞ্জ সহজে বৃটেন ছেড়ে যেতে পারবেন না বলেই সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী।সূত্র: বিবিসি

