http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
মানুষ মারার রাজনীতিতে
নেইতো কোনো দর্শন,
কিংবা গাড়ি ভাঙ্গা এবং
গুলি-বোমা বর্ষণ।
তবু যারা মানুষ মারে
চলে মহান নীতিতে,
তাদের দলে আমিতো নেই
কোনো রকম প্রীতিতে!

পাক-ভারত সীমান্তে সংঘর্ষে নিহত ১
    A+ A A-

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গত বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাধীনতা দিবসের মাত্র একদিন পরই ফের পাক-ভারত সীমান্তে নতুন করে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে এক ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী নিহত ও নারী ও শিশুসহ ছয় পাকিস্তানি বেসামরিক লোক আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
পাকিস্তানের ডন পত্রিকা জানিয়েছে, রাওয়ালপিন্ডির শিয়ালকোট শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে চুপরিয়াল সেক্টরের সুরখপুর গ্রামের সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলি এবং মর্টার শেলেরর আঘাতে দুই নারী ও এক শিশুসহ ছয় বেসামরিক লোক মারাÍকভাবে আহত হয়েছেন।
দেশটির সেনা কর্মকর্তারা জানান, আহতদের জরুরি ভিত্তিতে শিয়ালকোটে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অন্যদিকে ভারতীয় পত্রিকা টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে জম্মু ও কাশ্মির সীমান্তে পাকিস্তানি সীমান্তরক্ষীদের গুলিতে এক বিএসএফ জওয়ান নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলিতে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। যা শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বহাল ছিল।
পত্রিকাটি জানায়, জম্মু-কাশ্মির সীমান্তের আবদুল্লিয়ান পোস্টে আন্তর্জাতিক সীমানা রেখোর ৩৫ কিলোমিটার পশ্চিমে পাকিস্তানি সীমান্ত রক্ষী রেঞ্জাররা হালকা ও ভারি অস্ত্রের গোলাবর্ষণ এমনকি মর্টার হামলা চালায়। এতে আসাম থেকে আসা চন্দর রায় নামে এক বিএসএফ জওয়ান নিহত হয়।
এ বিষয়ে বিএসএফ কর্তকর্তারা জানান, ২০০৩ সালের নভেম্বরের পর বৃহস্পতিবারের ঘটনাই সীমান্তে পাকিস্তানি রেঞ্জারদের সবচেয়ে বড় গুলিবর্ষণের ঘটনা। বিএসএফ কর্মকর্তারা আরো জানান, তারা কেবল পাকিস্তানের ছোঁড়া গুলির জবাব দিয়েছেন মাত্র। অন্যদিকে পাকিস্তানি রেঞ্জাররা ব্যাপক গোলাবর্ষণ চালিয়ে গেছেন।
উল্লেখ্য, গত ১০ দিনে উভয় দেশের সীমান্তে গোলাগুলির এটি অস্টম ঘটনা। যদিও দুই দেশ ২০০৩ সালে সীমান্তে গোলাগুলি বন্ধে নিজেদের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল।