

আসাদ বেহেস্তী
ফের এসেছে হরতাল ভাই
তাই পেছালো কাজ,
এটা ছাড়া নেই হাতিয়ার
তাইতো লাগে লাজ!
গণতন্ত্রের অনেক ভাষা
অনেক হাতিয়ার,
আসুন সবাই নতুন ভাবি
দেশ করি উদ্ধার।
কাগজ ডেস্ক : গতকাল বুধবার ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সভাপতি এ কে আজাদ সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, আমরা সিআইপি কার্ড চাই না। আমাদের ব্যবসার জন্য অনুকূল পরিবেশ দিন। বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় একে আজাদ এ কথা বলেন।
এ কে আজাদ বলেন, সরকারকে বার বার বলেও শিল্পে গ্যাস-বিদ্যুতের সংযোগ পাচ্ছি না। যা পাচ্ছি তাও উচ্চমূল্যে নিতে হচ্ছে। চট্টগ্রাম হাইওয়ের (মহাসড়ক) অবস্থা খুবই খারাপ। এই সড়কটির সংস্কারের জন্য সরকারের কাছে দাবি করেও লাভ হচ্ছে না। এই সড়ক দিয়ে আমাদের রফতানি পণ্যবাহী ট্রাক ছিনতাই হচ্ছে। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ীরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশের মহাপরিচালককে বার বার বলেও কোনো লাভ হয়নি। তিনি বলেন, রফতানি পণ্যবাহী ট্রাক রাস্তা থেকে হাইজ্যাকের ঘটনায় হোমমিনিস্টারকে (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) বার বার বললেও তিনি বলেন, সর্ষের মধ্যে ভূত থাকলে আমরা কী করবো।
তিনি আরো বলেন, শ্রমিক অসন্তোষ ও দুর্ঘটনার চিন্তায় ব্যবসায়ীদের ঘুম হয় না। কখন কোথায় শ্রমিক অসন্তোষ হয়, কোথায় আগুন লাগে এই চিন্তায় থাকি সব সময়। সরকারের কাছে দাবি আল্লাহর ওয়াস্তে আমাদের গ্যাস-বিদ্যুতের সংযোগ দিন, অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে দিন।
একে আজাদ বলেন, বর্তমানে গার্মেন্টস খাতে ৩০ লাখ লোক নিযুক্ত রয়েছে। অনুকূল পরিবেশ পেলে আগামী পাঁচ বছরে এই সেক্টরে ৬০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে। চলতি বছর আমরা রফতানি করেছি ২৪ বিলিয়ন ডলার। আমাদের অনুকূল পরিবেশ দিলে তা পাঁচ বছরে ৫০ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ বি এম আবুল কাসেমের উদ্দেশ্যে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, আপনি আমাদের প্রতিনিধি। দয়া করে আপনি সংসদে আমাদের কথা বলুন। আমাদের জন্য গ্যাস-বিদ্যুৎ সংযোগ ও চট্টগ্রাম হাইওয়ের জন্য আপনি সংসদে অনশন করুন। আপনাকে আগামী নির্বাচনে ভোট দেয়ার জন্য আমরা জনগণের কাছে যাবো।

