

আসাদ বেহেস্তী
রক্ষা করতে জনগণের
জীবন এবং পণ্য,
মিছিল-মিটিং বন্ধ রবে
একটি মাসের জন্য।
গণতন্ত্রে আছে নাকি
এমন রেওয়াজ বেশতো,
জনমনে এসব কিছুর
থাকবে লেগে রেশতো!
কাগজ ডেস্ক : মন্ত্রিত্বের প্রস্তাব দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন রুটিন কাজ। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন। আমি জানি, দুজন মন্ত্রী হতে চাননি। একজন বলেছেন, তাঁকে সঠিকভাবে ডাকা হয়নি। তবে আমরা নিয়মের কোনো ব্যত্যয় করিনি। আওয়ামী লীগের আগের সরকারের আমলে এবং ২০০৯ সালে মন্ত্রিপরিষদ গঠনের সময় একইভাবে তা আমরা করেছি।’
শনিবার সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দেওয়ার সময় সভাকক্ষ সাংবাদিকদের জন্য উন্মুক্ত ছিল। এরপর প্রধানমন্ত্রী দলের নেতাদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন।
মন্ত্রিত্বের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছিলেন, কোনো সভ্য দেশে এভাবে মন্ত্রিত্বের প্রস্তাব দেওয়া হয় কি না তাঁর জানা নেই। এ প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আই কে গুজরালের আত্মজীবনীর উদাহরণ টানেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আই কে গুজরাল লিখেছেন যে তিনি যখন প্রথমবার মন্ত্রী হন, তখন তাঁকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা ফোন করে শপথ নিতে বলেছিলেন। দ্বিতীয়বার মন্ত্রী হওয়ার সময় আই কে গুজরালকে ফোন করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি জানি না, ভারত সভ্য দেশ কি না। যে নেতা ওই কথা বলেছিলেন, তিনি দেখে নিতে পারেন সভ্য দেশে এভাবে মন্ত্রী হয় কি না।’
আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ২০০৯ সালে তাঁর মন্ত্রিসভা গঠনের সময়ের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘ওই নেতাকে ২০০৯ সালে যখন অনেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, “আপনি মন্ত্রী হচ্ছেন কি না”, তখন তিনি বলেছিলেন, “মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবের ফোন এখনো পাইনি।” চাইলে আপনারা সে সময়ের পত্রিকা দেখে নিতে পারেন। সুতরাং মন্ত্রিত্ব গ্রহণ করা না-করা ওনার ব্যাপার।’

