http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
ফের এসেছে হরতাল ভাই
তাই পেছালো কাজ,
এটা ছাড়া নেই হাতিয়ার
তাইতো লাগে লাজ!
গণতন্ত্রের অনেক ভাষা
অনেক হাতিয়ার,
আসুন সবাই নতুন ভাবি
দেশ করি উদ্ধার।

আফগানিস্তানের মাটির নিচে প্রাকৃতিক সম্পদের বিশাল মজুদ
    A+ A A-

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দীর্ঘ যুদ্ধের পর ২০১৪ সালে আফগানিস্তানের মাটি ত্যাগ করবে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনী। এর আগেই সুখবরটি এলো। ধারণা করা হচ্ছে, রক্তেভেজা আফগানিস্তানের মাটির নিচে ১ লাখ কোটি ডলারের প্রাকৃতিক সম্পদের মজুদ রয়েছে, যা একটি দেশকে আÍনির্ভরশীল হওয়ার জন্য যথেষ্ট।
এগুলো হলো প্রাকৃতিক তেল, গ্যাস, সোনা, লোহা, লিথিয়াম, রত্ন পাথর, মার্বেল পাথর এবং ক্রোমাইট অন্যতম। তবে এই বিপুল সম্পদই আফগানদের আত্মনির্ভরশীলতার এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে বাধার সৃষ্টি করতে পারে। অভিযোগ রয়েছে, কাবুলে চলমান উন্নয়ন কাজের বেশিরভাগই পেয়েছে প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের আত্মীয়স্বজনদের মালিকানাধীন কোম্পানিগুলো। আবার দেশটিতে প্রস্তাবিত খনি আইন বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করছে বলে খবরে বলা হয়েছে। আফগানিস্তানের কালুভ্যালি গ্রামের বাসিন্দারা স্বপ্ন দেখছে এই ভেবে যে, তাদের গ্রামের লোহা ও আকরিক উত্তোলকে ভারত অথবা কানাডার ব্যবসায়ীরা বিনোয়োগ করবে। তাদের কষ্টে সময় পার করা পরিবারগুলোতে সচ্ছলতা আসবে। কালু ভ্যালি গ্রামের ৩০ বছর বয়সী আলু চাষী আব্বাস আলী বলেন, খনি থেকে আহরণের জন্য আমি আমার সমস্ত জমি দিয়ে দিতে প্রস্তুত। এতে আমার জীবনে আমূল পরিবর্তন আসবে। আবার বিশ্বব্যাংকও বলছে একই কথা।
সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের খনিজ সম্পদ সঠিকভাবে উত্তোলন এবং কৃষি খাতকে উন্নয়ন করা গেলে আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে দেশটির বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ৩ থেকে ৪ শতাংশ বেড়ে যাবে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, খনিজ সম্পদ পাচারকারী অপরাধী চক্র সীমান্ত এলাকা দিয়ে ক্রোমাইট পাচার করে দিতে পারে।

হট নিউজ -এর সকল খবর