

আসাদ বেহেস্তী
মানুষ মারার রাজনীতিতে
নেইতো কোনো দর্শন,
কিংবা গাড়ি ভাঙ্গা এবং
গুলি-বোমা বর্ষণ।
তবু যারা মানুষ মারে
চলে মহান নীতিতে,
তাদের দলে আমিতো নেই
কোনো রকম প্রীতিতে!
কাগজ ডেস্ক : গতকাল রোববার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মিছিল শেষে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, বাংলাদেশে যেন বিএনপির দুর্নীতিবাজদের বিচার না হয়, সে ষড়যন্ত্র করার জন্যই এই হরতাল।
তিনি বলেন, যে কাউকে খুঁজে বের করার দায়িত্ব সরকারের। কিন্তু একজন রাজনীবিদের রাজনৈতিক শত্র“, পারিবারিক শত্রু ও ব্যক্তিগত শত্রু থাকতে পারে। তাই তাকে খুঁজে বের করার জন্য সরকারকে সহযোগিতা করা দরকার।
হানিফ বলেন, একাত্তরের শত্রুদের বাঁচানোর জন্যই হরতাল নামক ষড়যন্ত্র। বর্তমানে দেশে গ্রেনেড হামলা, মানি লন্ডারিং মামলা, ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ চলছে। এসব বিচার ঠেকাতেই বিএনপি এখন ইলিয়াসকে ইস্যু করে আন্দোলন করছে।
এ সময় আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাড. কামরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুগ্ম সম্পাদক হাজী মো. সোলিমসহ মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সকাল থেকেই আওয়ামী লীগ এর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে আসতে থাকেন। তারা হরতাল বিরোধী শ্লোগান দেন।
হানিফ বলেন, বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে ইস্যু করে বিরোধী দল সরকারকে অস্থিতিশীল করতে চায়। গণতান্ত্রিক দেশে যে কেউ হরতাল দিতে পারে। কিন্তু ইলিয়াস আলীকে আইনশৃ´খলা বাহিনীর সদস্যরা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। তাই এ রকম অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করলে ইলিয়াস আলীকে খুঁজে বের করা সম্ভব হবে না।
হানিফ বলেন, বিএনপির হরতালে কোনো দিনই জনগণের সম্পৃক্ততা ছিল না। এবারের হরতালেও জনগণের সম্পৃক্ততা নেই।
১৮ দলীয় জোট সম্পর্কে তিনি বলেন, নাম সর্বস্ব জোট করলে জনগণ তা গ্রহণ করে না।

