
ইন্টারনেট ত্রুটির কারণে গ্রামের কাগজ এর ২১ মে অনলাইন প্রকাশনা স্থগিত রয়েছে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্যে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আশা করছি ২২ মে থেকে আবারো ফিরে আসব আপনাদের মাঝে। গ্রামের কাগজের সাথেই থাকুন।
প্রধান সম্পাদক


আসাদ বেহেস্তী
রক্ষা করতে জনগণের
জীবন এবং পণ্য,
মিছিল-মিটিং বন্ধ রবে
একটি মাসের জন্য।
গণতন্ত্রে আছে নাকি
এমন রেওয়াজ বেশতো,
জনমনে এসব কিছুর
থাকবে লেগে রেশতো!
জামালপুর সংবাদদাতা : ইসলামপুর বাজারে প্রায় ১০ কোটি টাকা মুল্যের পাটগুদামসহ সরকারী সম্পদ স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি দখলের পায়তারা করার অভিযোগ উঠেছে। জানাগেছে, ইসলামপুরের সাবেক মহিলা সংসদ সদস্য রহিমা খন্দকারের যোগসাজসে তার কনিষ্ঠ দেবর এসএম ইয়াহিয়া মাহমুদ মা রোকেয়া বেগমের নামে বাংলাদেশ জুট কর্পোরেশনের পাটগুদামসহ ৪২শতাংশ জমি একটি ভুয়া জাল দলিল তৈরি করে সরকারী সম্পদ দখলে নেওয়ার পায়তারা করছেন। সরেজমি উপস্থিত হয়ে জানাগেছে, ইসলামপুর বাজার প্রায় ৮০ বৎসর পুর্বে প্রতিষ্ঠা হলে সাবেক মহিলা এমপির বাসার পশ্চিম পাশ্বে এবং ইসলামপুর বাজার মৌসুমী সিনেমা হলের সামনে আরও আর রেকর্ডের মালিক শ্রী ভিমরাজ পুগলিয়া (হিন্দু মারুয়ারী) তার ৪২শতাংশ জমি উপর তিনি পাট প্রেসসহ বিশাল পাট গুদাম তৈরি করে তৎকালিন সময়ে পাট ব্যবসা করে আসছিলন। সে সময়ের প্রত্যেক্ষ দর্শীদের মতে, ১৯৫৭ থেকে ৬০ সাল পর্যন্ত ওই এলাকায় ভুমি জরিপ শুরু হলে ভিমরাজ পুগলিয়া মাঠ পর্যয়ে ভুমি রেকর্ডের কাজ সম্পন্ন করেন এবং ১৯৬২ সালে আরও আর রেকড ভীমরাজ পুগলিয়ার নামে পর্চ্চা বিতরন হয়। ওই পর্চ্চা বিতরনের বেশ কিছু ’দিন পর ১৯৬২ সালের শেষার্ধে ভারত-পাকিস্থান বিহারী- মারুয়ারী- হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা বেধে যায়। এ সময় ভীমরাজ মারুয়ারী প্রাণের ভয়ে তার প্রতিবেশী এবং ব্যবসায়ী পার্টনার কানাই লাল পাল কাছে সবকিছু রেখে স্ব-পরিবারে রাতের আঁধারে ভারত চলে যান। পরবর্তিতে ভীমরাজ ভারত থেকে ফেরত না এলে প্রায় ৫বৎসর কানাইপাল তার যাবতীয় স্থাবর অস্থাবর সম্পক্তি নিজ দখলে রাখেন। কিন্তু কানাইপাল কোন প্রকার লিখিত প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে তদানিন্তন পাকিস্থান সরকার কিসামত জাল্লা মৌজার ১৪৯ ও ১৫০নং খতিয়ান ভুক্ত ১৮৫,৪৮৮এবং ১৭৯ নং দাগের ৪২ শতাংশ জমি মালিক ভারত চলে যাওয়ার কারনে পাকিস্থান সরকার কর্তৃক অর্পিত সম্পত্তি হিসাবে চিহ্নত করে। v.p gayyate notification vide no karachi friday. সধু ১২/৬৭ অর্থাৎ অর্পিত সম্পত্তি হিসাবে তৎকালিন পাকিস্থান গভমেন্ট ওই ৪২ শতাংশ জমি ১৯৬৭ সালের মে মাসের ১২ তারিখে গেজেট প্রকাশ করে। পরবর্তিতে ওই জমিতে পুর্ব পাকিস্থান জুট ট্রেডিং করর্পোরেশনের নামে নামকরন করে সরকারী ভাবে পাট ক্রয় শুরু করে। পরবর্তি ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হলে ৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আর্দেশ মুলে উক্ত সম্পতি পুনরায় অর্পিত সম্পতি হিসাবে ঘোষনা করে পুর্ব পাকিস্থান জুট ট্রেডিং কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ জুট ট্রেডিং কর্পোরেশন নামকরন করে। এর পরবর্তি ১৯৭৪ সালের ২৯ জুন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে থেকে ওই জমি বাংলাদেশ জুট ট্রেডিং করর্পোরেশনের কাছে সাব কবলা দলিল মুলে হস্তান্তর করে। ওই জমি বাংলাদেশ জুট ট্রেডিং করর্পোরেশন গত ২৬/০৬/০৫ সালে জমি ব্ক্রিয়ের জন্য দৈনিক দিনকাল পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিলে উপযুক্ত মুল্যে ক্রেতা না পাওয়ায় জমি বিক্রয় করা হয়নি। বর্তমানে বাংলাদেশ জুট ট্রেডিং করর্পোরেশন বিলুপ্ত হলে ওই জমি পাট মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে রয়েছে। পাট মন্ত্রনালয়ের নিয়োজিত দু’জন বেতন ভোগি কেয়ার টেকার বর্তমানে সেখানে রয়েছে। অথচ বাজারের চান্দিনা নুন্যতম ১০ কোটি টাকা মুল্যের ৪২ শতাংশ জমি এসএম ইয়াহিয়া মাহমুদ গং কোন প্রকার জমি দখল হিসাবে দাবী করেনি। হঠৎ ২০০৭ সালের পর থেকে তার মা রোকেয়া বেগমের নামে ১৯৬৪ সালের জানুয়ারী মাসের ২ তারিখে একটি ভূয়া জাল দলিল করে সরকারী জমি নিজ দখলে নেওয়ার পায়তারা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে ইসলামপুর বাজার প্রতিষ্ঠা ও বাজার মসজিদ প্রতিষ্ঠাতা শত বৎসর বয়সী সোলামানমুন্সি(১০১)সহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার অনেক প্রবীনরা জানান, ইসলামপুর বাজারে ভীমরাজ পুগলিয় (হিন্দু মারুয়ারী) ১৯৫৫ সালে শেষার্ধে একটি পাট প্রেস ও বিশাল পাট গুদাম স্থাপন করে বিশিষ্ট পাট কানাই পালের সাথে যৌর্থ পাট ব্যবসা করতেন। ৬২ সালে ভারত-পাকিস্থান বিহারী Ñমারুয়ারী দাঙ্গার সময় ভিমরাজ সপরিবারে ভারতে চলে যাওয়ার পর থেকে সেখানে সরকারী পাট কেন্দ্র হিসাবে দেখে আসছি। তারা আরো জানান রোকেয়া বেগম এবং তার স্বামী মরহুম আক্রামুজ্জামানের কোন পাট প্রেস ছিল কি’না জানতে চাইলে তারা প্রত্যেকেই বলেন রোকেয়া বেগম এবং তার স্বামীর কোন পাটপ্রেস ছিল না এমনকি তারা পাটের ব্যবসা করেনি।

