http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
আসছে বাজেট অধিবেশন
চলবে লম্বা ভাষণ,
তারই আগে জনগণে
খাবে নানান কষন,
প্রথম কষণ ব্যবসায়ীদের
কারণ ছাড়াই তারা,
দাম বাড়াবে নিত্য মালের
হিসাব-নিকাশ ছাড়া!

১৮ দলীয় জোটের নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে : ন্যাপ
    A+ A A-

কাগজ ডেস্ক : বাংলাদেশ ন্যাপ আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া বলেছেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে দমন করতে ১৮ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা-বানোয়াট মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তিনি বলেন, হত্যা-গুমের রাজনীতি বন্ধে ব্যর্থ সরকারের পতন ঘটাতে হবে। এই সরকারের পতন না ঘটাতে পারলে মানুষ হত্যার রাজনীতি বন্ধ হবে না। তিনি বলেন, বর্তমান মহাজোট সরকার রাষ্ট্রপরিচালনায় পরিপূর্ণ ব্যর্থ। বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস আলীতে গত ১৮দিনেও উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি গতকাল রোববার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘বিএনপিসহ ১৮ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে সরকারের মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি- সভাপতি হিসাবে বক্তব্য রাখছিলেন। সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি মহাসচিব আবদুল মালেক চৌধুরী, জাগপা সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, এনপিপি মহাসচিব ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য আ.হ.ম জহির হোসেন হাকিম, এলডিপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, এনডিপি মহাসচিব আলমগীর মজুমদার, মুসলিম লীগ মহাসচিব আতিকুল ইসলাম, ইসলামিক পার্টি মহাসচিব এম.এ. রশিদ প্রধান, ডিএল সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সী আবদুল মজিদ, বাংলাদেশ ন্যাপ যুগ্ম মহাসচিব স্বপন কুমার সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভূঁইয়া, কেন্দ্রীয় নেতা আকবর মোহাম্মদ, বাংলাদেশ জাতীয় শ্রমিক আন্দোলন সাধারন সম্পাদক হাফেজ শেখ নাসির, বাংলাদেশ জাতীয় ছাত্রদল আহবায়ক এম.এন. শাওন সাদেকী, নগর নগর সহ-সভাপতি মতিয়ারা চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক মো. শামিম ভূঁইয়া, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য আমেনা খাতুন মনি, সূত্রাপুর থানা সভাপতি তোফাজ্জ্বল হোনে ভানু প্রমুখ।
গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া বলেন, মহাজোট সরকারের তিন বছরে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির এতটাই অবনতি ঘটেছে যে, জনগণ তাদের এই দুঃশাসন থেকে মুক্তি চায়। তিনি অবিলম্বে জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমেদ, এলডিপি সভাপতি কর্নেল অব. ড. অলি আহমেদ বীর বিক্রম এমপি, বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ এমপি, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, এনপিপি চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলু, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-সহ ১৮ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা-বানোয়াট ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।
খন্দকার লুৎফর রহমান বলেন, সব ব্যর্থতার ওপর সাফল্যের নতুন ভিত গড়া সম্ভব না হলে গণতন্ত্রের অকালমৃত্যু ঠেকানো সম্ভব হবে বলে দেশবাসী মনে করে না।
আবদুল মালেক চৌধুরী বলেন, “আইনের শাসনের জন্য আহাজারি কোনো অর্থ বহন করবে না। জনগণকে নতুন কোনো হতাশা গ্রাস করতে পারে।”