

আসাদ বেহেস্তী
বাজেট করতে পাশ
সংসদ বসছে,
এই নিয়ে কেউ কেউ
অংকটা কসছে!
অংকের মারপ্যাচে
পিষে যত যন্ত্র,
বাঁচবার মন্ত্রটা
যপে গণতন্ত্র!
কাগজ ডেস্ক : গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বঙ্গবন্ধু মঞ্চ আয়োজিত ‘গণতন্ত্র নস্যাতের যড়যন্ত্র, গণবিরোধী হরতাল ও মানুষ হত্যার প্রতিবাদ’ শীর্ষক মানববন্ধনে দেওয়া প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. নাসিম কোনো শর্ত দিয়ে সংলাপ হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন । গণতন্ত্র ও জনগণের স্বার্থে প্রস্তাব দিন। এমন কোনো প্রস্তাব দেবেন না যাতে সংলাপ ভেস্তে যাবে। এতে গণতন্ত্রও হুমকির মুখে পড়বে।
বঙ্গবন্ধু মঞ্চে’র সভাপতি নিয়াজ মোহাম্মেদ খানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরো ছিলেন- ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল হক সবুজ, ওলামা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদিক লুৎফর রহমান প্রমুখ।
তিনি আরো বলেছেন, ‘শুধু শর্ত দেওয়ার কারণে অতীতে অনেক সংলাপ সফল হয়নি। যে আলোচনা সফলতা বয়ে আনবে সে রকম যে কোনো সংলাপে বসতে আওয়ামী লীগ প্রস্তত।’
নাসিম বলেন, ‘আগামী নিবার্চন নিয়ে নানা ফর্মুলা আসতে শুরু করেছে। সরকারী দল আওয়ামী লীগও একটি প্রস্তাব দিয়েছে।’
বিএনপির কোনো প্রস্তাব থাকলে তা সংসদে এসে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘হরতাল দিয়ে মানুষ হত্যা করে এর সমাধান করা যাবে না।’
তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে আমেরিকান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে মুক্ত আলোচনার কথা বলেছেন। একমাত্র সংসদেই মুক্ত আলোচনা সম্ভব। রেডিও, টেলিভিশনের মাধ্যমে সেই আলোচনা দেশবাসী শুনতে ও দেখতেও পাবেন।’
বুধবার দেওয়া ইলিয়াসের স্ত্রীর বক্তব্যের রেফারেন্স টেনে তিনি বলেন, ‘ইলিয়াস আলীর স্ত্রী বলেছেন- রাজনৈতিক কারণে থাকে হত্যা করা হয়েছে। ইলিয়াস আলীর প্রতিপক্ষ কে তা আমাদের পাশাপাশি বিএনপিও জানে। অথচ বিএনপি এই ইস্যুকে সামনে নিয়ে হরতাল করছে, মানুষ হত্যা করছে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘হরতালের নামে যারা মানুষ হত্যা করে তাদের বিচারের কাঠাগড়ায় দঁড়াতে হবে।
তিনি আরো বলেন, ‘মুক্ত সংলাপ হলেও তা ফটোসেশন আর গণমাধ্যমে সংবাদ হওয়া ছাড়া আর কিছুই হবে না।’
নাসিম বলেন, ‘বিএনপিকে আমি বিশ্বাস করি না। সংসদীয় কমিটিতে তারা যায়নি, রাষ্ট্রপ্রতির সঙ্গে সংলাপে তারা সুনির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাব দেয়নি। তাদের সঙ্গে সংসদের বাইরে সংলাপ করা সম্ভব নয়।’
সাবেক এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আগের মতো কোনো অনির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে না।’
ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চোধুরী মায়া বলেন, ‘যারা বুক ফুলিয়ে ইলিয়াসের মুক্তি চেয়েছে, হরতাল করেছে- এক মামলায় তারা ঘুমিয়ে পড়েছে। জামিনের জন্য বোরকা পরে আদালতে গিয়েছে। এসব নেতা দিয়ে দেশ ও জনগণতো তো নয়ই, খোদ বিএনপিরও কোনো উপকার হবে না।’
