

আসাদ বেহেস্তী
ফের এসেছে হরতাল ভাই
তাই পেছালো কাজ,
এটা ছাড়া নেই হাতিয়ার
তাইতো লাগে লাজ!
গণতন্ত্রের অনেক ভাষা
অনেক হাতিয়ার,
আসুন সবাই নতুন ভাবি
দেশ করি উদ্ধার।
কাগজ ডেস্ক : গত দেড় মাসে দেশের পুঁজিবাজার অনেকটা স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছিল। বিনিয়োগকারীরাও তাদের হারানো আস্থা ফিরে পেতে শুরু করেছিল। প্রতিদিনই লেনদেন বাড়ার সঙ্গে বাড়তে থাকে সূচক। প্রায় ছয় মাস পর লেনদেন ছাড়িয়ে যায় হাজার কোটির ঘর। বাজার পরিস্থিতি যখন এমন ঠিক তখন কতিপয় উদ্যোক্তা পরিচালক হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) জারি করা প্রজ্ঞাপনের স্থগিতাদেশ চেয়ে হাই কোর্টে রিট করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ফের অস্থিরতা শুরু হয় পুঁজিবাজারে।
গত দুই সপ্তাহ ধরেই নানমুখী গুজবের ধাক্কায় নিম্নমুখী প্রবণতায় লেনদেন চলছে দেশের পুঁজিবাজারে। পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের বিষয়ে হাই কোর্টে দায়ের করা রিটের বিষয়ে শুনানি নিয়ে চলমান আতঙ্কের মধ্যে বুধবার নতুন করে ডিএসই সাবেক ও বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের কয়েকজন সদস্যর ব্যাংক হিসাব জব্দ করার খবরে সূচক কমতে থাকে।
যার জের ধরে গত বুধবার এক দিনেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক কমে ১৬৮ পয়েন্ট।
এদিকে আশার দিক হলো, উদ্যোক্তা পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের বাধ্যবাধকতা বিষয়ে এসইসি’র জারি করা প্রজ্ঞাপনকে চ্যালেঞ্জ করে ফিনিক্স ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের করা রিটটি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন বাদী আবদুল কাদের চৌধুরী। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এই খবর বাজারে ছড়িয়ে পড়লে বাড়তে থাকে সূচক। যা লেনদেন শেষ হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। ওই দিন সূচক বাড়ে ১৭৫ পয়েন্ট।
হাই কোর্ট রিটের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেছে আগামী ১৮ মে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রিটের বিষয়ে রায় না হওয়া পর্যন্ত বাজারে অস্থিরতা থাকতে পারে। তবে বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত না হয়ে ধর্য ধরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের আহবান জানিয়েছেন তারা।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ১৫ দশমিক ১২ শতাংশ। লেনদেন হওয়া মোট ২৭৪টি ইস্যুর মধ্যে দর কমেছে ৭৮টির, কমেছে ১৮৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১২টির। সাধারণ মূল্যসূচক গত সপ্তাহের চেয়ে ৮৪ পয়েন্ট কমে পাঁচ হাজার ৭৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

