

আসাদ বেহেস্তী
রাজনীতিতে মন্দা বাতাস
থমথমে সব কিছু,
একই কথার ঘ্যানর ঘ্যানর
ছাড়ছেনাতো পিছু!
একই গানের ভাঙ্গা রেকর্ড
বাজছে রোজই দেখি,
লম্বা ভাষণ শুনলে এখন
লাগছে শুধু মেকি!
কাগজ ডেস্ক : বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তা নদীতে বাঁধ নির্মাণে ভারতের বাঁধা।
জানাগেছে,২০০৯ সালের শুকনো মৌসুমে পশ্চিবঙ্গ সরকার ভারতের কোচবিহার জেলার মেকলিগঞ্জ উপজেলার ৯১ আন্দারাম ও ২৫ পস্তি শিংপাড়া গ্রামের বেড়িবাঁধ নির্মাণ করায় তিস্তা নদীর স্বাভাবিক গতি প্রবাহ বদলে যায়। এতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার তিস্তা ব্যারাজের প্রায় ১০ কিলোমিটার উজানে চরখড়িবাড়ি ইউনিয়নের ৭৯৮ নাম্বার সীমান্ত মেইন পিলার থেকে দক্ষিণ পূর্ব দিকে মূল তিস্তা নদী থেকে একটি শাখা নদী বাহির হয়ে নদীর ্েরাত প্রবল বেগে তিস্তা বাম তীর বাঁধে আঘাত হানে। যার ফলেসেই বছরের বন্যায় চরখড়িবাড়ি গ্রামের শতশত বসতবাড়িসহ হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যায়। চরখড়িবাড়ি গ্রামের আঃ মালেক,ইছামুদ্দিন,জয়নুলসহ অনেকে বলেন,নতুন শাখা নদীটিতে বাঁধ নির্মাণ অতি জরুরি হয়ে পড়েছে। এই একটি বাঁধের অভাবে গত দুই বছরের বন্যায় চরখড়িবাড়ি গ্রামের মানুষ অপূরনীয় ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মইনুদ্দিন মণ্ডল জানান,তিস্তার নতুন শাখা নদীটি বন্ধ করা না হলে খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে তিস্তার মূল গতিপথ পরিবর্তন হয়ে নতুন চ্যানেলটি মূল তিস্তায় রুপনেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর তাহলে দেশের সর্ববৃহৎসেচ প্রকল্পের তিস্তা ব্যারাজ সম্পর্ণ অকার্যকর হয়ে পড়বে। তবে বাঁধ নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হলেও ভারতীয় বিএসএফ’র জোরালো আপত্তির কারণে পানিসম্পদ মন্ত্রনালয প্রকল্পটির জন্য আর্থিক বরাদ্দ দিতে চাচ্ছেনা। সম্প্রতি ১শ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্পের আওতায় শাখা নদীতে বাঁধ নির্মাণ করতে গেলে ভারতীয় বিএসএফ তাতে আপত্তি জানালে, ঠ্যাং ঝাড়া হাবিবুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিএসএফ সেক্টর কমান্ডার শ্রী রাজিব কুমার রায় ও বিজিপির সেক্টর কমান্ডার লেঃকর্নেল আনিছুর রহমানের নেতৃত্বে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএসএফ’র পক্ষ হতে আশ্বাস প্রদান করলে বাঁধের মাটি ভরাট কাজ শূরু করা হয়। কিন্তু কাজ শূরু করার পরপরেই আবারো বিএসএফ’র বাঁধার কারণে মূল চ্যানেলটি কাজ করানো সম্ভব হচ্ছেনা। এলাকার হাজার হাজার মানুষ বর্ষা শূরুর আগেই তিস্তার শাখা নদীটিতে বাঁধ নির্মাণের জন্র সরকারের কাছেজোর দাবি জানিয়েছে। ভারতীয় বিএসএফ’র আপত্তির কারণেই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে তিস্তা নদীর বাঁধনির্মাণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বাঁধটি অতি তারাতারি নির্মাণ করা না হলে এলাকার হাজার হাজার হেক্টর আবাদি জমি,বসতভিটা,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে তিস্তা নদীর গতিপথ নতুন করে পরিবর্তন হয়ে দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ সম্পর্ণ অকার্যকর হওয়ার আশ´খা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

