

আসাদ বেহেস্তী
ফের এসেছে হরতাল ভাই
তাই পেছালো কাজ,
এটা ছাড়া নেই হাতিয়ার
তাইতো লাগে লাজ!
গণতন্ত্রের অনেক ভাষা
অনেক হাতিয়ার,
আসুন সবাই নতুন ভাবি
দেশ করি উদ্ধার।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশির দক্ষিণ সুদানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত নিরাপত্তা চুক্তিগুলো মেনে চলতে সম্মত হয়েছেন। খার্তুম সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট ও আফ্রিকান ইউনিয়নের মধ্যস্থতাকারী থাবো এমবেকি এ খবর জানিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট বশির মনে করেন, প্রতিবেশি দুইদেশের মধ্যে শান্তি বজায় থাকা প্রয়োজন। খার্তুম সফর শেষে প্রেসিডেন্ট এমবেকি দক্ষিণ সুদান সফরে যাবেন এবং দেশটির রাজধানী জুবায় সেদেশের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
গত মাসে সীমান্তবর্তী একটি এলাকার মালিকানা নিয়ে সুদান ও দক্ষিণ সুদানের মধ্যে প্রচণ্ড সংঘর্ষ দুইদেশকে একটি যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায়।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব অনুযায়ী গত সপ্তাহে প্রতিবেশি দুইদেশের মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও উভয়পক্ষ আলোচনার টেবিলে ফিরে যেতে অপারগতা প্রকাশ করে।
দক্ষিণ সুদান খার্তুমের সঙ্গে নিঃশর্ত আলোচনা চাইলেও সুদান বলছে, সীমান্ত চিহ্নিতকরণ নিয়ে আলোচনা শুরু হতে হবে। সুদান আরো বলেছে, সীমান্ত স্থায়ীভাবে চিহ্নিতকরণের আগ পর্যন্ত দেশটি বিতর্কিত এলাকাগুলো থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে না।
তবে থাবো এমবেকি এখন বলছেন, খার্তুম জাতিসংঘের একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি মেনে নিয়ে দুই দেশের সীমান্তে ১০ কিলোমিটার ‘বাফার জোন’ গঠন করতে রাজী হয়েছে।
গত মাসে দক্ষিণ সুদানের সেনারা সীমান্তবর্তী হেগলিগ তেলক্ষেত্র দখল করে নিলে সাম্প্রতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। হেগলিগ তেলক্ষেত্র সুদানের বৈদেশিক মূদ্রা অর্জনের একটি প্রধান খাত। আন্তর্জাতিক চাপে শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ সুদান হেগলিগ থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নিলে সাময়িকভাবে সীমান্ত উত্তেজনা কমে আসে।

