

আসাদ বেহেস্তী
মানুষ মারার রাজনীতিতে
নেইতো কোনো দর্শন,
কিংবা গাড়ি ভাঙ্গা এবং
গুলি-বোমা বর্ষণ।
তবু যারা মানুষ মারে
চলে মহান নীতিতে,
তাদের দলে আমিতো নেই
কোনো রকম প্রীতিতে!
কাগজ ডেস্ক : গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে কাজী ফার্মের পরিবেশক সম্মেলন অনুষ্ঠিত। এতে কাজী জাহেদুল হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আবদুল লতিফ বিশ্বাস বলেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের ‘দুর্বলতার’ কারণে দেশে রোগাক্রান্ত মুরগির বাচ্চা ও ডিম আমদানি হচ্ছে। খামারগুলোকে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধন দেওয়া হয়। রোগাক্রান্ত মুরগির বাচ্চা ও ডিম আমদানির ফলে খামারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এজন্য দায়ী অধিদপ্তরের কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে ডিম আমদানির অনুমতি দেওয়া প্রসঙ্গে বলেন, দেশে উৎপাদিত ডিম দিয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানো সম্ভব হয় না। তাই ডিমের দাম বেড়ে গেছে। রোজায় ডিমের দাম নিয়ন্ত্রণে ডিম আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে আর ডিম আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে না। তবে কোনোভাবেই বার্ড ফ্লু বা অন্য কোনো রোগাক্রান্ত দেশ থেকে মুরগি বা ডিম আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
খামারশিল্প রক্ষায় জৈব-নিরাপত্তার পাশাপাশি খামারগুলোতে টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরুর ওপর গুরুত্ব আরোপ করে মন্ত্রী বলেন, শুধু জৈব-নিরাপত্তা দিয়ে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জাসহ বিভিন্ন রোগ থেকে খামারশিল্প রক্ষা করা সম্ভব নয়। জৈব-নিরাপত্তার নিজেরই নিরাপত্তা নেই। এজন্য টিকা কার্যক্রম শুরু করতে হবে। কারিগরি কমিটি টিকার দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। শীঘ্রই মন্ত্রিসভায় আলোচনার করে খামারশিল্প রক্ষায় টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করা হবে।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ সচিব উজ্জ্বল বিকাশ দত্ত, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আশরাফ আলী, পাকিস্তান পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হাসান সরোশ আকরাম এবং প্রাণী ও পুষ্টিমান বিপনন বিশেষজ্ঞ মার্ক গ্লাভি, আলভীন পি আরুকান ও মিগুয়েল ডি পলা।

