

আসাদ বেহেস্তী
বাজেট করতে পাশ
সংসদ বসছে,
এই নিয়ে কেউ কেউ
অংকটা কসছে!
অংকের মারপ্যাচে
পিষে যত যন্ত্র,
বাঁচবার মন্ত্রটা
যপে গণতন্ত্র!
ঢাকা অফিস : গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় তোপখানা রোডে দলীয় কার্যালয়ে শহীদ আসাদ মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ‘সংবিধানে সংসদের সময়সীমা শেষ হবার তিন মাস আগে জাতীয় নির্বাচনের বিধান রাখা হয়েছে। সংসদের বয়স পাঁচ বছর হলে এই তিন মাস সংসদের অবস্থা কী হবে, সংসদকে কী ডিপ ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখা হবে?
তিনি বলেন, আমরা আগেও বলেছি, নির্বাচনকালীন অন্তর্বতী সরকারের রূপরেখা ঠিক করতে হবে। যেখানে নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনই হবে প্রধান। ওই অন্তর্বতী সরকার দলীয় না নির্দলীয় হবে তা নিয়ে বিতর্ক করা অনর্থক। প্রয়োজনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো অন্তর্বতী সরকারের সময়সীমা ও কার্যধারা নির্দিষ্ট করে দেওয়া যেতে পারে। অন্তর্বতী সরকার দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যাবলী ছাড়া কোনো নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা কার্যকর করতে পারবে না। জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র ও স্থানীয় সরকার এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুসারে চললে নির্বাচন নিরপেক্ষ নিশ্চিত করা সম্ভব। এই অন্তর্বতী সরকারে বিরোধী দলকেও অর্ন্তভুক্ত করা যেতে পারে।
মেনন বলেন, আমরা নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যাপারে এই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের কথা বলেছি। কিন্তু এই অসঙ্গতি দূর না হলে নির্বাচনে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। কারণ পদে বহাল থাকা একজন এমপি সাধারণভাবেই নির্বাচনের সময় গুরুত্ব পাবেন।
উল্লিখিত প্রস্তাব না মানলে মহাজোট থেকে বের হবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মেনন বলেন, মহাজোটের সঙ্গে যথেষ্ট ঐক্য রয়েছে। তাদের সঙ্গে দূরত্বের সৃষ্টি হবে না। আলোচনার মাধ্যমে রাজনীতিকে এগিয়ে নেব। সংবাদ সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
