http://www.finamate.com/

আর্কাইভ
শিক্ষকের হিংস্রতা

আসাদ বেহেস্তী
দু’সাংবাদিক হত্যা হলো
মিলছেনা এর জবাবটা,
হত্যা করেই যায়না বদল
সাংবাদিকের স্বভাবটা।
সাংবাদিকের কাজটা কঠিন
বিপদ ঘটে চতুর্দিক,
আনেই তুলে আসল খবর
কোনটা গরল কোনটা ঠিক !

পরিবেশ আইন অমান্য করে কৃষি জমিতে ইটাখলা তৈরি
    A+ A A-

নরসিংদী সংবাদদাতা : পরিবেশ রক্ষার্থে বর্তমান সরকার প্রধান শেখ হাসিনা বিদেশের মাটিতে বিভিন্ন সভা সেমিনারে বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। শুধু তাই নয় সম্প্রতি মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত সার্ক র্শীষ সম্মেলনেও বাংলাদেশের পরিবেশ বিপর্যয়ের জন্য মারাÍক ক্ষতি হচ্ছে বলে দাবি উত্থাপন করেন। আর এর জন্য বিশ্বের ধনী দেশগুলোর কাছে সাহায্য কামনা করেন। সম্প্রতি জাতিসংঘের মহাসচিব বানকি মুনের কাছেও বাংলাদেশে পরিবেশ বির্পযয়ের কথা জানিয়ে সাহায্যের দাবি জানান। একদিকে দেশের প্রধানগণ বিদেশের কাছে পরিবেশ উন্নয়নের জন্য সাহায্য চাচ্ছেন অন্য দিকে আমাদের এদেশের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের জন্য পরিবেশের বিপর্যয় ঘটছে বলে দাবি করেন সচেতন মহল। সম্প্রতি লক্ষ করা গেছে যে পরিবেশ আইন অনুযায়ী পৌর এলাকায় ইটাখলা নিষিদ্ধ করে দেওয়ার ফলে তারা গ্রামাঞ্চলে কৃষি জমিতে এই ইটাখলা তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পরেছেন। পরিবেশ আইন অনুযায়ী ইটাখলা তৈরি করতে গেলে পরিবেশ ছাড়পত্রের প্রয়োজন আর ছাড়পত্রে স্পষ্ট করে লেখা রয়েছে কোন কৃষি জমিতে ইটাখলা তেরী করা যাবেনা, বাড়িঘরের ৩ কিলোমিটারের মধ্যে ইটাখলা তৈরি করা যাবেনা এবং তা নদী বা বিলের পাশে করতে হবে। এর কোনটাই পালন করেনি পলাশ উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের নরসিংহারচর (রামানন্দী) ইটাখলাটি। নরসিংদীর জেলা প্রশাসন ও পলাশ উপজেলা প্রশাসনের বড়বড় কর্তা ব্যক্তিগণ এর পাশ দিয়ে গেলেও এটা যেন না দেখার মতো যাওয়া আসা করেন। এই ইটাখলাটি যেখানে তৈরি করা হয়েছে সেখানে ধানের জমি ও একটি বাড়ি ছিল যা তারা উৎখাত করা হয়। এই ইটাখলা এরই ১০ গজ পশ্চিম পাশে শিমেরক্ষেত, লাউয়ের মাচা, সহ হরেক রকমের শাকসবজির চাষাবাদ। ইটাখলার উত্তর পাশে কলাবাগান, ধানের জমি ও অন্যান্য শাকসবজির চাষাবাদ। পূর্বপাশে চরসিন্দূর-পাচদোনা পাকা সরক এবং বাড়িঘর দক্ষিণ পাশে রয়েছে বাড়িঘর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ দুুটি বাজার। এখন প্রশ্ন হচ্ছে শেখ হাসিনা কি এই জন্যই দেশের বাহিরে পরিবেশ উন্নয়নের জন্য সাহায্য কামনা করছেন? একদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের পরিবেশ উন্নয়নের জন্য সাহায্য পাওয়ার আশায় বিদেশের মাটিতে ঘুরে বেড়াবে আর অন্যদিকে কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের নিস্ক্রিয়তায় দেশের পরিবেশ নষ্ট হবে তা হতে পারেনা বলে মন্তব্য করেন দেশের পরিবেশ বাদি সংগঠন পিএমএসটিসি। এখানে জনগণের প্রশ্ন যেখানে প্রতিদিন এই ইটাকলার পাশদিয়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের লোকজন যাওয়া আসা করে সেখানে একবারও তাদের চোখে পড়েনা এই ইটাখলাটি? আর পড়লে কি কোন কিছু করার নেই তাদের। এই প্রধানমন্ত্রীর লক্ষকে বাস্তবায়ন করতে হলে এবং দেশের পরিবেশের উন্নয়ন করতে হলে জনগণের পাশাপাশি প্রশাসনকেও স্ব উদ্যোগে এগিয়ে আসা উচিত বলে মন্তব্য করেন সচেতন মহল। এই ইটাখলা তৈরির ফলে এলাকায় কৃষি জমি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে অন্য দিকে কলাগাছ মারা যাচ্ছে আগুনের তাপে এবং কালো ধোয়ার ফলে এলাকার বাড়িতে কাপড় চোপড়ে কালো ধোয়ায় ছেয়ে যাচ্ছে এমনকি ইটাখলা চালু করা হলে এলাকায় বিভিন্ন রোগের প্রাদৃর্ভাব দেখা দেয়। তাই এ ব্যপারে জেলা প্রশাসন, জেলা পরিবেশ কর্মকর্তা সহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্থ ক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।







সারাদেশ -এর সকল খবর