http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
আসছে বাজেট অধিবেশন
চলবে লম্বা ভাষণ,
তারই আগে জনগণে
খাবে নানান কষন,
প্রথম কষণ ব্যবসায়ীদের
কারণ ছাড়াই তারা,
দাম বাড়াবে নিত্য মালের
হিসাব-নিকাশ ছাড়া!

রাণীনগরে ইরি-বোরো ধান কাটা শুরু : বাজারে দাম কম : কৃষকরা হতাশ
    A+ A A-

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি : নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় চলতি ইরি-বোরো ২০ থেকে ৪০ শতাংশ ধান কাটা শেষ হয়েছে। বোরো ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি থাকলেও বাজারে পাচ্ছে না নায্য মূল্য। উপজেলার ধানের বৃহৎ মোকাম আবাদপুকুর ও ত্রিমোহানী হাটবাজারে ধান বিক্রি হচ্ছে পারিজা ৪৮০ থেকে ৫১০ ও জিরাশাইল ৬১০ থেকে ৬২০ টাকা মণ দরে। নতুন ধানের মূল্য কম পাওয়ায় কৃষকরা হতাশ। উপজেলার একডালা গ্রামের আলেফ হোসেন, ভান্ডারা গ্রামের ছামছুল সরদার জানান, এক বিঘা জমির ধান কাটতে শ্রমিকের মজুরী দিতে হচ্ছে দেড় হাজার টাকা। শ্রমিকের এটাকা পরিশোধ করতে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে প্রায় ৩ থেকে ৪ মণ। বোরো চাষিরা জানান, জমি তৈরি থেকে আরম্ভ করে ধান ঘরে তোলা পর্যন্ত প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হচ্ছে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা। করজগ্রামের পত্তনী কৃষক জিয়া, বেলাল, সুমুন জানান, বোরো আবাদে যে পরিমান খরচ হয়েছে ওই জমির ধান বিক্রি করে তার খরচ ওঠা দুস্কর হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে পত্তনী জমির কৃষকরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। 
রাণীনগর উপজেলা কৃষি অফিসার অহেদুর রহমান জানান, উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে এবার ১৯ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রিড জাতের আবাদ ১ হাজার ১৫০ হেক্টর, উফসী জাতের ধান ১৮ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। এবার উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে (চাল আকারে) ৭৬ হাজার ৮৫২মে:টন।

সারাদেশ -এর সকল খবর