

আসাদ বেহেস্তী
ফের এসেছে হরতাল ভাই
তাই পেছালো কাজ,
এটা ছাড়া নেই হাতিয়ার
তাইতো লাগে লাজ!
গণতন্ত্রের অনেক ভাষা
অনেক হাতিয়ার,
আসুন সবাই নতুন ভাবি
দেশ করি উদ্ধার।
নাটোর জেলা প্রতিনিধি : নাটোরের বড়াইগ্রাম পৌরসভাসহ বড়াইগ্রাম ও জোনাইল ইউনিয়নের প্রায় ৫০টি গ্রামের বাসিন্দারা গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার দু'দিন বিদ্যুৎ বিহীন অবস্থায় ছিল। কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুতের ৪টি খুটি ভেঙ্গে পড়া ও দুটি ট্রান্সফর্মার পুড়ে যাওয়ায় এ অবস্থা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসী ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে গুরুদাসপুর উপজেলার সোনাবাজু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনের ৪টি খুঁটি ভেঙ্গে যায়। এছাড়া লক্ষীকোল মুহুরীপট্টির পাশে এবং নওপড়ায় দুটি ট্রান্সফর্মার পুড়ে যায়। ফলে বড়াইগ্রাম পৌরসভাসহ জোনাইল ফিডারের আওতাভূক্ত বড়াইগ্রাম উপজেলার বড়াইগ্রাম ও জোনাইল ইউনিয়নের প্রায় ৫০টি গ্রাম বিদ্যুৎ সংযোগ বিহীন হয়ে পড়ে। এতে এ এলাকার প্রায় লক্ষাধিক মানুষকে দারুণ ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। তবে সকালে বড়াইগ্রাম পৌর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হলেও বড়াইগ্রাম ও জোনাইল ইউনিয়নের বাসিন্দারা লাইন মেরামত হলে গতকাল শুক্রবার বিকাল ৩টায় ২১ ঘন্টার দীর্ঘ লোডশেডিং থেকে মুক্তি পান। এদিকে, লক্ষীকোল মুহুরীপট্টির পেছনের ট্রান্সফর্মারটি না লাগানোর কারণে এ এলাকার গ্রাহকেরা এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিদ্যুৎ পুনরায় সংযোগ পাননি।
জোনাইল বাজারের ব্যবসায়ী সমর কুমার, জাহাঙ্গীর ও মিন্টু পল্লী বিদ্যুতের লাইন সংস্কারের দাবী জানিয়ে বলেন, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় আমরা ভোগান্তিতে পড়েছি। তাছাড়া সামান্য বাতাস হলেই এ লাইন বন্ধ হয়ে যায়। ৮-১০ ঘন্টা আর বিদ্যুৎ আসে না। এতে আমরা ব্যবসায়িক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গুরুদাসপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মুজিবুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করছি। প্রাকৃতিক কারণে লাইনে সমস্যা হওয়ায় গ্রাহকদের কিছুটা ভোগান্তি হচ্ছে। তবে পল্লী বিদ্যুৎ কর্মীদের চেষ্টায় আপাতত সমস্যা সমাধান হয়েছে। আর লক্ষীকোলের ট্রান্সফর্মার পুড়ে যাওয়ার বিষয়টিও দ্রুত সমাধান করা হবে।

